বগুড়ায় জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদানসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে শহীদদের কবর জিয়ারত ও কবরে পুস্পস্তবক অর্পন, সংবর্ধনা প্রদান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলেম-ওলামাদের সাথে মতবিনিময় ও দোয়া অনুষ্ঠানের।
মঙ্গলবার জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান বিজয়ের বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শহরের পৌর শহীদ টিটু মিলনায়তনে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক হোসনা আফরোজা বলেন, ফ্যাসিস্টদের দোসররা এখনো ঘাপটি মেরে বসে আছে। গত এক বছরে কয়জনকে সরানো গেছে। জুলাই চিতনা বাস্তবায়নের জন্য সঠিক লোক দরকার।
তিনি সবাইকে একসাথে থেকে সমৃদ্ধ দেশ গড়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।
এডিসি জেনারেল মেজবাউল করিমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন জেলা পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, সিভিল সার্জন ডা: এ কে এম মোফাখ্খারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকার, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধারা।
সভায় আহতরা সুচিকিৎসা, ওষুধ, কর্মসংস্থান, পূনর্বাসন গত এক বছরেও না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বিকেলে শহর জামায়াতের উদ্যোগে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয় শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে। মিছিলের আগে শহীদ খোকন পার্কে এক বিরাট সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জামায়াতের শহর আমির আবিদুর রহমান, সেক্রেটারি আ স ম আব্দুল মালেকসহ দলটির নেতারা বক্তব্য দেন।
ইসলামী ছাত্র শিবির সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে বিরাট মিছিল বের করে। বিএনপির উদ্যোগে থানায় বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বগুড়া প্রেসক্লাবের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতত হয়। এতে রেজাউল হাসান রানুর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন দৈনিক সাতমাথা সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, সহ-সভাপতি মীর্জা সেলিম রেজা, সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ, সিনিয়র সদস্য আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।









