ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে হামলার বিচার দাবিতে করা সাধারণ ছাত্রীদের বিক্ষোভ প্রতিহত করতে বহিরাগতদের নিয়ে আসার অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। এ সময় তারা শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীকে অস্থিতিশীলতার চেষ্টা আখ্যা দিয়ে তা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববদ্যিালয়ে মেয়েদের বিক্ষোভের পাশে পাল্টা অবস্থান নিয়ে এ দাবি জানান তারা। এতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীদার মোঃ নিজামুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক সাঈফ বাবু, স্কুল কার্যক্রম বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদিন, উপ দফতর সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, উপ কর্মসূচী ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক সাদ বিন কাদের, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের সভাপতি সোহানুর রহমান, স্যার এ এফ রহমান হলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান তুষার, জিয়া হলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মাসুদ লিমন, বিজয় একাত্তর হলের সাধারণ সম্পাদক নয়ন হাওলাদার প্রমুখ। এদের প্রায় সবার বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে।
বিক্ষোভ মিছিলকালে বাঙলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. জিহাদকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ সময় জিহাদের সাথে বাঙলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আরো কয়েকজনকে দেখা যায়। সাংবাদিকরা তার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি ঘটনাস্থল থেকে সরে পড়েন। এদিকে, ক্যাম্পাসের অস্থিতিশীলতার দাবি তুলে তা প্রতিহত করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
তারা বলেন, অস্থিতিশীল ক্যাম্পাসের লোক দিয়ে নয় বরয় বহিরাগতদের নিয়ে আসার মধ্যে হয়। এদিকে, রাজু ভাস্কর্যের মানবন্ধনে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সাথে ইডেন মহিলা কলেজ ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ ও বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দিয়ে মানববন্ধন করানোর অভিযোগ রয়েছে।





