প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত মেহেরপুরের রমজান আলী বিশ্বাসকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রোববার শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে গতকাল শনিবার দুপুরে ধানমন্ডি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুন রমজান আলী ও তার স্ত্রী কুষ্টিয়া জেলার আসমা আক্তার রুজিকে গ্রেফতার করেন।
এই দম্পতির বিরুদ্ধে ২১টি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। গ্রেফতার এড়াতে বারবার অবস্থান পাল্টালেও অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পরেন তারা।
রাজধানীর ধানমণ্ডি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, দুপুরে ধানমণ্ডির ১১ নম্বর রোডের ৩৩ নম্বর বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসআই হারুন আরো বলেন, গ্রেফতার রমজান ও রুজি দম্পতি দীর্ঘ দিন ধরে প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত। রমজানের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত আমরা ২৪টি মামলার তথ্য পেয়েছি। এর মধ্যে ২১টি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) এবং চারটিতে সাজা দেয়া হয়েছে। আর রুজির বিরুদ্ধে একটি মামলায় ওয়ারেন্ট এর তথ্য পেয়েছি।
তিনি আরো বলেন, এই দম্পতির পেশাই হচ্ছে প্রতারণা। তারা এক এলাকায় গিয়ে মানুষের সাথে প্রতারণা করে বাসা পরিবর্তন করে আত্মগোপনে চলে যান।
তারা কী ধরনের প্রতারণার সাথে জড়িত জানতে চাইলে হারুন বলেন, সঠিকভাবে বলতে পারবো না। আদালত থেকে ওয়ারেন্ট আমাদের কাছে এসেছে আমরা আসামি ধরে দিয়েছি। তবে মামলা সূত্রে জানতে পেরেছি এই দম্পতির বিরুদ্ধে সবগুলো মামলাই প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের।
দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ১০৯ ধারায় সবগুলো মামলা দায়ের করা হয়েছে।








