রিমান্ডে থাকা অবস্থায় অভিনেত্রী পরীমণির দেয়া তথ্যে বেশ কিছু অসংগতি ছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে সিআইডি প্রধান মাহবুবুর রহমান বলেছেন, মামলার তদন্তের স্বার্থেই পরীমণিকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হয়েছিল। পরীমণির দেয়া তথ্যে বেশ কিছু অসংগতি পাওয়া গিয়েছিল। এসব তথ্য যাচাই–বাছাইয়ের জন্য পুনরায় পরীমণিকে রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়।
সিআইডি প্রধান বলেন, পরীমণিসহ বিভিন্নজনের নামে থাকা ১৫টি মামলার তদন্তকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মামলাসংশ্লিষ্ট রাসায়নিক ও ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়া শুরু হবে।
সিআইডির প্রধান আরো জানিয়েছেন, আসামিদের অপরাধলব্ধ আয় আছে কি না, সেটিও যাচাই–বাছাই করছে সিআইডি। বেশ কয়েকজন আসামির আর্থিক হিসাব জানার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বরাবর চিঠি দেয়া হয়েছে।
গত ২৯ জুলাই গুলশানের বাসা থেকে আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী হেলেনা জাহাঙ্গীরকে বিদেশি মদসহ গ্রেফতার করার কথা জানায় র্যাব। এরপর ১ আগস্ট বারিধারা ও মোহাম্মদপুরে অভিযান চালিয়ে কথিত মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পরে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে শরফুল হাসান ও মাসুদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে র্যাব।
৪ আগস্ট পরীমণিকে তার বনানীর বাসা থেকে গ্রেফতার করে র্যাব। একই দিন প্রযোজক নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। এসব আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইন, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। এসব মামলায় আদালতের অনুমতি নিয়ে পরীমণিসহ অন্য আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি। ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও হেলেনা জাহাঙ্গীর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।








