অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তথ্য গোপনের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আট বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। একইসাথে ওই মামলায় তার ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড স্থগিত করা হয়েছে।
সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি মোঃ সেলিমের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল। আদালতে বাবরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল। আর দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোঃ খুরশীদ আলম খান।
এর আগে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক মোঃ শহিদুল ইসলাম পৃথক ধারায় পাঁচ এবং তিন বছরের কারাদণ্ড দেন। একইসাথে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। পরে এ আদেশের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন।
২০০৭ সালের ২৮ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে যৌথবাহিনীর হাতে আটক হওয়া বাবরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের মামলাটি ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি রমনা থানায় দুদক কর্মকর্তা মির্জা জাহিদুল আলম দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ১৬ জুলাই দুদকের উপসহকারী পরিচালক রূপক কুমার সাহা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
চার্জশিটে বাবরের বিরুদ্ধে সাত কোটি পাঁচ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার অবৈধ সম্পদ রাখার অভিযোগ করা হয়েছে।









