সড়কে শৃঙ্খলা না থাকলে আট লেনের রাস্তায়ও যানজট হবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
গতকাল রোববার সোনারগাঁওয়ের মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় হাইওয়ে পুলিশ কমান্ড অ্যান্ড মনিটরিং সেন্টার উদ্বোধন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেনÑ হাইওয়ে পুলিশের এডিশনাল আইজি আতিকুর রহমান, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুণ অর রশীদ, মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম। মন্ত্রী বলেন, ঈদযাত্রা এবং ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরে আসা এই দুই যাত্রাই ইতিহাসের সবচেয়ে স্বস্তিতে হবে এবার। তবে সড়কে শৃঙ্খলা থাকতে হবে। ছেট গাড়িগুলো যাতে মহাসড়কে না চলে। জীবন আগে জীবিকা পড়ে, এই চিন্তা মাথায় রেখে সড়ক পথে চলাচল করতে হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন তিনবার দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। যে অভিযোগে নিজেরাই অভিযুক্ত, যাদের বিচার হয়েছে, হচ্ছে তাদের মুখে সরকারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ভূতের মুখে রাম নাম।
ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা রয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, টেররিজম ইজ এ গ্লোবাল ফ্যাক্ট। হোলে আর্টিজানের পর দেশে উলেখযোগ্য কোনো ঘটনা ঘটেনি। তার মানে যে আর ঘটবে না আর আমরা হাল ছেড়ে বসে থাকব সেটা না। আমরা সবসময় প্রস্তুত রয়েছি, সতর্কতামূলক প্রস্তুতি আমাদের আছে। সশস্ত্র বাহিনী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, র্যাবসহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে টেরর বিরোধী বেশ কিছু অভিযানের মধ্য দিয়ে সেটা প্রমাণ করেছে। টেররিজম মোকাবেলা করার মতো সমতা আমাদের রয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারতে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। আমরা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি। ভারতের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের জন্য সুফল বয়ে আনবে। প্রতিবেশীর ঘরে আগুন লাগলে প্রতিবেশী হিসেবে আমাদেরও আঁচ লাগবে।
ভারতের সাথে বাংলাদেশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের বিষয়ে তিনি বলেন, গতবারের চেয়েও বেশ ম্যান্ডেট পেয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তাই তাদের শক্তি ও সমতা বাড়বে নানা অভিযোগ থাকার পরও অভিষেক অনুষ্ঠানে সোনিয়া গান্ধীসহ বিরোধীদলীয় নেতারা উপস্থিত ছিল। ভারতে গণতান্ত্রিক বিষয়টি প্রতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের জন্য সুবাতাস বইয়ে দেবে। তিস্তাসহ অভিন্ন নদীগুলোর পানিবণ্টন, সীমান্ত, ছিটমহল সমস্যার সমাধানের সমতা বাড়বে, প্রক্রিয়াটি আরো গতি পাবে আশা করছি।