বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেছে ছাত্রলীগ। গত রোববার দিবাগত রাত ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হলের একতলা থেকে দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মধ্য থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই হত্যায় দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সকাল থেকে উত্তাল ছিল বুয়েট ক্যাম্পাস। প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য ক্যম্পাসেও। এ ঘটনায় পুলিশ ৯ জনকে আটক করে। আটককৃতরা সবাই ছাত্রলীগের পদধারী নেতা। ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে আবরারের পরিবার। একই দাবিতে সোচ্চার গোটা দেশের ছাত্রসমাজ।
সম্প্রতি ভারতের সাথে হওয়া বাংলাদেশের চুক্তি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়াকে কেন্দ্র করে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। আবরার শের-ই-বাংলা হলের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে টিউশনি থেকে ফিরে হলের কক্ষে ছিলেন আবরার। এ সময় হলের ছাত্রলীগ নেতারা তাকে রাত ৮টায় বাইরে ডেকে নিয়ে যায়। রাত পৌনে ৩টায় হলের সামনে তার দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। বুয়েটের চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান আবরার বেঁচে নেই। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা আবরারকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
মারধরের সময় ওই কক্ষে উপস্থিত ছিলেন বুয়েট ছাত্রলীগের সহসম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আবরারকে শিবির সন্দেহে রাত ৮টার দিকে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে আনা হয়। সেখানে আমরা তার মোবাইলে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার চেক করি। ফেসবুকে বিতর্কিত কিছু পেজে তার লাইক দেয়ার প্রমাণ পাই। সে কয়েকজনের সাথে যোগাযোগও করেছে। শিবির-সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাই। তিনি আরো জানান, আবরারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন বুয়েট ছাত্রলীগের উপদফতর সম্পাদক ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুজতবা রাফিদ, উপসমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপআইন সম্পাদক অমিত সাহা। পরে প্রমাণ পাওয়ার পরে চতুর্থ বর্ষের ভাইদের খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে বুয়েট ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার সেখানে আসেন। একপর্যায়ে আমি রুম থেকে বের হয়ে আসি। এরপর হয়তো ওরা মারধর করে থাকতে পারে। পরে রাত ৩টার দিকে শুনি আবরার মারা গেছে।
এ দিকে মারধরের বিষয়টি স্বীকার করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার জামিউস সানি। তিনি বলেন, রাতে খবর পাওয়ার পরই আমি সেখানে যাই। কয়েকজন তাকে ওই রুমে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে মারধর করা হয়েছে বলে শুনেছি। যারা মারধরে জড়িত তারা সবাই ছাত্রলীগের পোস্টেড নেতা। ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময় তিনি ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং আবরারের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে গতকাল সোমবার বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) কৃষ্ণপদ রায় বলেন, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ছাড়া ঘটনায় চৌদ্দজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। আটকেরা হলেনÑ বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান রাসেল, যুগ্ম সম্পাদক মুহতাসিম ফুয়াদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ইশতিয়াক মুন্না, সমাজসেবা উপসম্পাদক্ ইফতি মোশাররফ সকাল এবং কর্মী তানভিরুল আবেদিন ইথান ও মুনাতাসির আল জেমি। অন্য একজনের নাম জানা যায়নি। হত্যাকারীরা যে দলেরই হোক না কেন তাদের আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়ে এই উপকমিশনার বলেন, আমরা ঘটনার সবগুলো সিসিটিভি ফুটেজ হাতে পেয়েছি। প্রাথমিক তদন্তে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছি। এই হত্যায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। কে কোন দলের এসব বিবেচনায় আসবে না। এ দিকে আবরার হত্যার জেরে সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্লোগানে স্লোগানে ক্যাম্পাস প্রকম্পিত করে শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়সহ দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান।
সিসিটিভি ফুটেজ গায়েবের জেরে সকাল থেকে অবরুদ্ধ হল প্রাধ্যক্ষ : আবরার হত্যার সিসিটিভি ফুটেজ সরিয়ে ফেলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে প্রাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, তারা যখন সকালে হল প্রাধ্যক্ষের নিকট এই ঘটনার বিচার দাবি করেন এবং একইসাথে সিসিটিভি ফুটেজ চান তখন হল প্রাধ্যক্ষ গড়িমসি করেন। তিনি গুরুত্ব না দিলে শিক্ষার্থীরা ফুটেজ দিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাফর ইকবালকে অবরুদ্ধ করা হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
লাঠির আঘাতে আবরারের মৃত্যু : ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে এক সংবাদ সম্মেলন করেন ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা: মো: সোহেল মাহমুদ। তিনি বলেন, বেলা দেড়টার দিকে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ফাহাদের হাতে, পায়ে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এই আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। আঘাতের ধরন দেখে মনে হয়েছে ভোঁতা কোনো জিনিস যেমন, বাঁশ বা স্ট্যাম্প দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তবে তার মাথায় কোনো আঘাত নেই। কপালে ছোট একটি কাটা চিহ্ন রয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, তার শরীরে বিশেষ কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। হাতে, পায়ে ও পিঠে আঘাতের স্থানে রক্তক্ষরণ ও ব্যথায় তার মৃত্যু হয়েছে।
বিক্ষোভে উত্তাল : আবরার হত্যার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা। গতকাল চার দফায় বিক্ষোভ মিছিল করে তারা। দুপুরে ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নূরের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল করে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’। পরক্ষণেই বিক্ষোভ করে বাম সংগঠনগুলোর মোর্চা প্রগতিশীল ছাত্রজোট। এ দিকে বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রদল এবং ছাত্র ইউনিয়ন। মিছিলগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে শুরু হয়ে বুয়েট ক্যাম্পাসে এসে আবার টিএসসিতে গিয়ে শেষ হয়। নুরুল হক নূর বলেন, কোনো ছাত্র যদি অন্যায় অপরাধ করে থাকে, তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রয়েছে। তাদের হাতে তুলে দেন। তারা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু ছাত্রলীগকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তোলার অধিকারটা কে দিলো? তিনি আরো বলেন, আজ পুরো বাংলাদেশের মানুষ নির্যাতিত। সবার পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। যদি আপনারা ঐক্যবদ্ধ হতে না পারেন তাহলে এই স্বৈরশাসন ও স্বৈরশাসকদের জাঁতাকলে পিষ্ট হতে হবে। বুয়েটের মতো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করে সিঁড়িতে লাশ ফেলে রাখা হয়েছে।
আবরারকে হত্যাকরা রুমে নিয়মিত মদের আসর : বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে যে রুমে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয় সে রুমে নিয়মিত মদের আসর বসত বলে একাধিক শিক্ষার্থী জানান। জানা যায়, ওই রুমে থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক উপসম্পাদক ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র অমিত সাহা, উপদফতর সম্পাদক ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র মুজতাবা রাফিদ, সমাজসেবাবিষয়ক উপ সম্পাদক ও বায়োঃমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ইফতি মোশাররফ সকাল এবং প্রত্যয় মুবিন। রোববার সকালে কক্ষটিতে পুলিশ অভিযান চালালে সেখান থেকে কয়েকটি মদের বোতল, চাইনিজ ছুরি এবং পাঁচ-ছয়টি ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে কিছু স্ট্যাম্প ভাঙা ছিল। হলের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ওই রুমে সবসময় মদপান চলত। রুমে যারা থাকত তারা রাতে মদ খেয়ে বিভিন্ন সময় চিৎকার-চেচামেচি করত। কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে গালিও শুনতে হত। আশপাশের রুমে যারা থাকে তারা ভালোভাবে ঘুমাতে পারত না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ছাত্রলীগ নেতা জানান, এটি ছাত্রলীগের রাজনৈতিক কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এমনকি তারা কাউকে তুলে নিয়ে এসে এই কক্ষে নির্যাতনও করত। তারা টর্চারসেল হিসেবে এই রুমটি ব্যবহার করত।
জড়িতদের বহিষ্কার করবে ছাত্রলীগ : আবরার হত্যা ঘটনায় যারা জড়িত তাদেরকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। গতকাল দুপুরে ঢাবির মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে হত্যার ঘটনায় দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেনÑ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক আসিফ তালুকদার। তদন্ত কমিটিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় দফতর সেলে জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ছাত্রলীগ কখনো হত্যার রাজনীতিতে বিশ্বাস ও সমর্থন করে না। যারা এ ঘটনায় জড়িত তাদেরকে অবশ্যই বহিষ্কার করা হবে এবং প্রশাসন যাতে সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করতে পারে সে সহযোগিতা করা হবে। তিনি ফাহাদের পরিবার ও সহপাঠীদের প্রতি সমবেদনাও জানান।
প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্রের বর্ণনা
আবরারের রুমের পাশের রুমের একজন ছাত্র অনেকটা ভয়ে গতকাল দুপুরের পর আবরার মারা যাওয়ার আগের সময়ের বর্ণনা দিয়ে বলেন, আবরারকে যখন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ডেকে নিয়ে যায় তখন থেকেই তার রুমমেটসহ অনেকেই আতঙ্কে ছিলেন। তারা যে তাকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলবে এমন ধারণা তাদের ছিল না। রাত যখন ২টা বাজে তখন আমাদের একজন সহপাঠী দেখেন আবরারকে তোশকের মধ্যে পেঁচিয়ে নেতারা সিঁড়ির মধ্যে ফেলে গেছেন। তখনো আবরার জীবিত ছিল। ওই সময়ও তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হতো তাহলেও মনে হয় আবরার বেঁচে যেতো। এর আগে নিহতের মামা এ প্রতিবেদককে বলেন, আবরারের মা রোববার রাত ৩টার পর আমাকে ফোন দিয়ে বলেন, হলে আবরারের কী কেনো সমস্যা হয়েছে। এরপরই তিনি একটি মোবাইল নাম্বার দিয়ে আমাকে যোগাযোগ করতে বললেন। এরপরই আমি সকাল ৬টার দিকে এসে জানতে পারি আবরার রাতেই মারা গেছে। নিহতের মামাতো ভাই তালহা মর্গে সাংবাদিকদের জানান, আবরারের লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

১৯ জনের নামে মামলা : আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে হত্যার অভিযোগে ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। রাত ১০টার দিকে চকবাজার থানার ডিউটি অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর মাসুদুর রহমান নয়া দিগন্তকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে বুয়েট হল শাখা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান রাসেলকে। এরপর রয়েছে মুহতাসিন ফুয়াদের নাম। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে দু’জন তাদের থানায় রয়েছেন। বাকি যারা ধরা পড়েছে তাদেরকে অন্য সংস্থা ধরেছে।