স্বামীর ঘরে স্থান না হওয়ায় গার্মেন্টকর্মী মীম আক্তার (১৯) ঢাকা থেকে বগুড়ায় ফিরছিলেন মায়ের কাছে। বাস থেকে নেমে রিকশায়ও উঠেছিলেন বাসায় যাওয়ার জন্য। সারা রাত জেগে মা খায়রুন্নাহার অপেক্ষা করছিলেন মেয়ে কখন আসবে? কিন্তু রাত পেরিয়ে সকাল হলেও বাসায় পৌঁছেনি মীম। সকালে পুলিশের ফোনে মেয়ের সন্ধান পেয়ে ছুটে যান কয়েক কিলোমিটার দূরে শাজাহানপুর উপজেলার গণ্ডগ্রাম বুড়িতলা ফাঁকা মাঠে। সেখানে মেয়ে মীম আক্তারের নিথর দেহ দেখে তিনি তাকে শনাক্ত করেন। গত বৃহস্পতিবার রাতের যেকোনো সময় মীম আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
মীম আক্তারের মা খায়রুন্নাহার জানান, এক বছর আগে বড় মেয়ে মীম চলে যান ঢাকার আশুলিয়ায়। সেখানে একটি গার্মেন্টে কাজ নিয়ে সংসারের হাল ধরেন। তখন পরিচয় হয় রংপুরের রিপনের সাথে। একপর্যায়ে দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠলে গত পাঁচ মাস আগে বিয়ে হয় তাদের। কিন্তু বিয়ের পর মীমের চাকরি করা নিয়ে দ্বন্দ্বে তাদের সংসার ভেঙে যায়। গত বুধবার রিপন মীমকে তালাক দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়। তাই গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় রংপুরগামী বাসে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা দেন মীম।
নিজের ফোনটি স্বামী কেড়ে নেয়ায় বাসের সুপারভাইজারের ফোনে মা খায়রুন্নাহারের সাথে যোগাযোগ রাখে মীম। রাত ১২টা পেরিয়ে গেলেও মেয়ে বাসায় না ফিরলে মা খায়রুন্নাহার ফোন দেন বাসের সুপারভাইজারকে। তিনি জানান, রাত ১২টায় মীমকে বনানী মোড়ে বাস থেকে নামিয়ে রিকশায় তুলে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু সারা রাতেও ফেরেনি মীম আক্তার।
বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, হত্যার ঘটনাটি এখনো ক্লুলেস। লাশ উদ্ধারের পর প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মেয়েটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।
ফেরা হলো না মায়ের কাছে
বগুড়ায় ধর্ষণের পর গার্মেন্ট কর্মীকে হত্যা
স্বামীর ঘরে স্থান না হওয়ায় গার্মেন্টকর্মী মীম আক্তার (১৯) ঢাকা থেকে বগুড়ায় ফিরছিলেন মায়ের কাছে। বাস থেকে নেমে রিকশায়ও উঠেছিলেন বাসায় যাওয়ার জন্য। সারা রাত...





