মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযানে একটি জাল টেম্পোরারি ওয়ার্ক ভিজিট পাসসহ (পিএলকেএস) এক বাংলাদেশী কম্পিউটার ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ তার ওয়ার্ক পারমিটটি যাচাই করে দেখেন ইমিগ্রেশনের সিস্টেম হ্যাক করে এই ওয়ার্ক পারমিট বা ভিসা নেয়া হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে দেশটির ইমিগ্রেশনের অফিসিয়াল ফেসবুকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান অভিবাসন মহাপরিচালক দাতুক খায়রুল জাজাইমি দাউদ।
গত ৩ নভেম্বর রাজধানীর কুয়ালালামপুরের একটি বিলাসবহুল কন্ডোনিয়াম থেকে স্পেশাল ডিভিশনের একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে ওই বাংলাদেশী ৩০ বছর বয়সী যুবকের নাম ঠিকানা প্রকাশ করেনি পুলিশ। এ সময় তার মালিকানাধীন কম্পিউটার সামগ্রীর দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়। এ কাজে সহযোগিতার জন্য ৪৪ বছর বয়সী তার ইন্দোনেশিয়ান স্ত্রীকেও আটক করা হয়েছে। তার স্ত্রীর কাছ থেকে মালয়েশিয়ান এক লাখ ৬২ হাজার ৭৭ রিংগিত উদ্ধার করা হয়েছে, যা বাংলাদেশী টাকায় ৩২ লাখ টাকার ওপরে। পুলিশের ধারণা সিস্টেম হ্যাক করে জালিয়াতি করে তাকে পারমিট দিয়েছে অন্য একটি প্রতারকচক্র যা ওই বাংলাদেশী যুবক ব্যবহার করছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে সে পাকিস্তানিদের কাছে ‘আলী’ নামে এবং বাংলাদেশীদের কাছে জুয়েল মুন্সি হিসেবে পরিচয় দিতেন।
অভিবাসন আইনের ১৫-৬৩ (অ্যাক্ট ১৫৫) অধীনে তার স্ত্রী বিরুদ্ধে এবং তাদের উভয়কেই অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৫১(৫) (বি) এর অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তাদের সেমেনিহ ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।