জাতীয় মাছ ইলিশ আর সেই ইলিশ প্রজনন, উৎপাদন ও সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের দাবিতে ২০ মে রাত ১২টা থেকে ৬৫ দিনের জন্য দেশের সমুদ্রসীমায় মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি আরোপ করেছে সরকার। ইতোমধ্যে বরগুনা উপকূলের জেলেরা সাগর থেকে জাল ও ট্রলার নিয়ে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র অথবা তীরে ফিরে এসেছেন।
এই ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন বরগুনা উপকূলের ২৭ হাজার ২৭৭ জন জেলেকে এক হাজার ৫২৭ দশমিক ৫১ টন চাল সহায়তা দেবে সরকার। এ সময় যাতে অসাধু জেলেরা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সমুদ্রে যেতে না পারে সেই লক্ষ্যে কঠোর অবস্থানেও থাকবে জেলা মৎস্য অধিদফতর ও কোস্টগার্ড ।
এ বিষয়ে জেলা মৎসজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, বরগুনা উপকূলের ছয়টি উপজেলার দেড় লাখ মানুষ জেলে পেশায় নিয়োজিত। অতীব দুঃখের বিষয় হচ্ছে সরকারি তালিকায় জেলের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৭৪ জন মাত্র। বাকি এক লাখেরও বেশি জেলে সরকারি এ সহায়তা পান না।
বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব এ বিষয়ে জানান, ইলিশ প্রজনন মৌসুম থাকায় ২০ মে মধ্যরাত থেকে সাগর ও নদী মোহনায় ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। এই নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে আগামী ২৩ জুলাই। এই সময়ে দেশের সামুদ্রিক জলসীমানায় সব ধরনের মাছ আহরণ,পরিবহন ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ।