খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ভেঙে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত সাতজন। নিহত মো: সাজ্জাদ হোসেন (১৯) জেলা শহরের কলেজ গেট এলাকার (টিউবয়েল মিস্ত্রি) মো: আমিনের ছেলে। সে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র বলে জানা গেছে। আহতদের খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঢালাইয়ের কাজে কর্মরত মিস্ত্রি মো: জালাল জানান, সকাল থেকে তারা অন্তত ২৪ জন লোক ছাদ ঢালাইয়ের কাজে নিয়োজিত ছিল। ছাদ ঢালাইয়ের কাজ কিছুটা বাকি থাকতেই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পেয়ে ছোটাছুটি করে পালিয়ে যায় সবাই। তবে ছাদের নিচে থাকা শ্রমিকরা চাপা পরে।
খবর পেয়ে তিন পার্বত্য জেলার সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের জিটুআই মেজর জাহিদ হাসানসহ অন্যরা ঘটনাস্থলে আসেন।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় আমি মর্মাহত। আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনার সাথে যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উদ্ধার কার্যক্রম শেষ হলে নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরণের বিষয়ে জানানো হবে বলেও জানান পরিষদ চেয়ারম্যান।
রাঙ্গামাটিতে ধর্ষণ করে পালিয়ে থাকা যিশু চট্টগ্রামে গ্রেফতার
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে এক উপজাতি নারীকে গণধর্ষণ করে চট্টগ্রাম নগরের পালিয়ে ছিলেন যিশু চৌধুরী (২৭) নামে এক যুবক। অবশেষে গত বুধবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানার আন্দরকিল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে র‌্যাব-৭ জানায়।
যিশু চৌধুরী বাঘাইছড়ির করেঙ্গাতলী বাজার এলাকার সমীর চৌধুরীর ছেলে।
র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, গত ১৫ জুলাই পূর্বশত্রুতার জেরে বিপ্লব বড়ুয়া নামে এক যুবক ওই নারীকে জরুরি আলাপ আছে বলে বাড়ির বাইরে ডেকে নিয়ে যায়। পরে সে আর ঘরে ফিরে না আসায় তার মা আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে। পরদিন ১৬ জুলাই ওই বাড়িতে এসে জানায় বিপ্লব বড়ুয়া তাকে বাড়ির বাইরে ডেকে নেয়ার পর যিশু চৌধুরীসহ কিছু দুষ্কৃতকারী তার মুখ চেপে ধরে বাঘাইছড়ি থানাধীন বাড়ুয়ার পাড়ায় একটি বসতঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোর করে গণধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদি হয়ে বাঘাইছড়ি থানায় পাঁচজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর র‌্যাব চট্টগ্রাম গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে। এরই আসামি যিশু চৌধুরীকে আন্দরকিল্লা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।