সিরাজগঞ্জে বাস-ট্রেন সংঘর্ষে একজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কড্ডা মোড় রেলগেটে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সাথে ঠাকুরগাঁ থেকে মুন্সীগঞ্জগামী বাস তাজ এক্সপ্রেস ঢাকা মেট্রো ব-১৫-৩১৫৩ বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় বাসের সুপারভাইজার বাবুল (৪০) কে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ছাড়া আরো অন্তত ২০ জন আহত অবস্থায় সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এর মধ্যে ৪-৫ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
কড্ডার মোড় এলাকার প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল মালেক বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই প্রচণ্ড কুয়াশায় অন্ধকার ছিল। ভোরের দিকে পদ্মা এক্সপ্রেস শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশনের কাছে আসলে সিরাজগঞ্জ কড্ডা সড়কের রেল ক্রসিং-এ গেটম্যান না থাকায় বার তোলা ছিল। এ সময় তাজ এক্সপ্রেস বাসটি দ্রুত রেললাইন পার হতে গেলে বাসের পেছনে ট্রেনের ধাক্কায় দুর্ঘটনা ঘটে।
সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে থানার এসআই মিজানুর রহমান বলেন, আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই। হাসপাতালে নেয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। আহত হয় অন্তত ২০ জন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত একজনকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে। বাসের যাত্রী সবাই শ্রমিক। কাজের জন্য ঠাকুরগাঁও থেকে মুন্সীগঞ্জ জেলায় যাচ্ছিলেন বলে জানা যায়। সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: ফয়সাল আহম্মদ বলেন, আহতদের চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। এদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কা জনক। দুর্ঘটনার পর ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে এই পথে যান চলাচল প্রায় দেড় ঘণ্টা বন্ধ ছিল। পরে জামতৈল রেল স্টেশন থেকে বিকল্প ইঞ্জিন এনে ট্রেনটি গন্তব্যে যায়।
অপর দিকে বৃহস্পতিবার ভোরে বঙ্গবন্ধু সেতুর ঢাকামুখী লেনে ১৬ নং পিলারের কাছে একটি কোচ অপর একটি কোচকে ধাক্কা দিলে কোচ দুটি বিকল হলে অন্তত পাঁচজন আহত হয়। এ সময় প্রায় আধা ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। এ ছাড়া ঘন কুয়াশার কারণে বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল প্লাজা রাত ১২টা থেকে ২ টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়। এতে সেতুর উভয় পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়।





