কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে ঈদুল ফিতরের নামাজ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নজরুল ইসলাম (৪৪) নামে একজন নিহত ও কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ঈদগাহ মাঠের ইমাম মাওলানা হারুন অর রশিদকে আটক করেছে।
গত শনিবার ঈদের দিন সকালে উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের বীর কাটিহারী গ্রামের মোড়ল বাড়ির ঈদগাহ মাঠে এ সংঘর্ষ হয়। নিহত নজরুল একই গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে। পুলিশ ও অন্যান্য সূত্রে জানা যায়, গত ইউপি নির্বাচন কেন্দ্র করে উপজেলার বীরকাটিহারী গ্রামের একই বংশের মধ্যে দুটি প্রতিপক্ষের সৃষ্ট হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ওই গ্রামে একটি মসজিদ থাকার পরও অন্য গ্রুপ আরেকটি মসজিদ নির্মাণ করেন। কিন্তুবংশানুক্রমে সেখানে একটি ঈদগাহ মাঠ থাকায় দুই গ্রুপের লোকজনই সে মাঠে নামাজ আদায় করতে গিয়ে সময়সূচি নির্ধারণ নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি ও পরবর্তীতে ধারালো অস্ত্র এবং লাঠিসোটা নিয়ে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে নজরুল ইসলামসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। গুরুতর আহত নজরুল ইসলামকে হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আবু তাহের (৫৮), জুহান (২১) ও সাব্বিরকে (১৮) হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও আবুল হক (৫৫) ও ফাইজুল ইসলামকে (৩০)ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ব্যাপারে হোসেনপুর থানার ওসি মো: আসাদুজ্জামান টিটু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ইমাম সাহেব আক্রমণকারী একটি পক্ষের অনুসারীদের নিয়ে নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তিনি সময়মতো বিষয়টি গুরুত্ব দিলে এ ঘটনার সৃষ্টি হতো না। তাই তাকে আটক করা হয়েছে।