নির্বাচনী প্রচারে নেমে আবারো নৌকার কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন বগুড়া-৪ আসনের বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলোচিত ইউটিউবার আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কাহালু বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হিরো আলমের সাথে থাকা দুই সমর্থক মোর্শেদুল রবি ও আব্দুস সালাম আহত হন। তবে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। রোববার রাত ৮টার দিকে বগুড়া সদরের এরুলিয়ায় নিজ বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন হিরো আলম। কাহালু উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ হামলার সাথে জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ হিরো আলমের। তিনি এবার বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত ডাব মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর আগে গত শনিবার নন্দীগ্রামের মুরাদপুর বাজারে আওয়ামী লীগের প্রথম দফা হামলার অভিযোগ আনেন হিরো আলম।
সংবাদ সম্মেলনে হিরো আলম বলেন, পাঁচপীর এলাকায় প্রচারণা চালিয়ে ১০ থেকে ১৫ জন কর্মী সমর্থকসহ তিনি কাহালু বাজারে আসেন। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী ও মৎস্য ব্যবসায়ী রমজান তাদের প্রচার করতে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে রমজানের সাথে উপজেলা তাঁতী লীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা যোগ দিয়ে তাদের উপর হামলা করেন। তার সমর্থকদের উপর হামলা চালিয়ে তাদেরও মারধর করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে হিরো আলম বলেন, শনিবার নন্দীগ্রামে হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এরপরও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
হিরো আলম বলেন, আমাকে এত ভয় কেন? আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বারবার (নৌকার প্রার্থী রেজাউল করিম তানসেনের পক্ষ নিয়ে আমার ওপর হামলা চালাচ্ছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, হামলার সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক মোল্লার দুইজন সমর্থকও ছিলেন, তবে তাদের পরিচয় জানি না। এসব হামলা করে লাভ হবে না। প্রয়োজনে আমাকে হত্যা করেন। তবে আমার কোনো সমর্থককে মারধর করবেন না। ভোটের মাঠে শেষ পর্যন্ত থাকবেন জানিয়ে হিরো আলম বলেন, শেষ দিন পর্যন্ত মাঠে থাকব। হিরো আলমকে হত্যা না করা পর্যন্ত ভোটের মাঠ থেকে সরানো যাবে না। দুই দিনের হামলার ঘটনা লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনকে জানাব।
এ ব্যাপারে কাহালু উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান বলেন, ‘কাহালুতে আওয়ামী লীগের সরাসরি কোনো প্রার্থী নেই। তাই কারো সাথে ঝামেলায় জড়ানোর প্রশ্নই আসে না। এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এর দায় সংগঠন নিবে না।
কাহালু থানার ওসি সেলিম রেজা বলেন, ‘হামলার ঘটনায় একজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাকে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।





