শখের বসে পাখি পালন শুরু করেন নিজাম উদ্দিন। এখন সেই পাখি তার জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। পাখির ব্যবসায় এখন সফল ব্যবসায়ী চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন। ছোট বেলা থেকে পাখি অনেক ভালোবাসতেন, তাই শখের বসে বাড়িতে পালন করতেন বিভিন্ন রকমের পাখি। এখন তার দোকান থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন এসে পাখি ক্রয় করে নিয়ে যায়।
জানা গেছে, ছোট বেলা থেকে পাখির প্রতি তার প্রবল ভালোবাসা ছিল। তখন থেকে পাখি পালন শুরু। ধীরে ধীরে পাখির দোকান গড়ে তুলেছেন তিনি। নাম দিয়েছে নিজামের সৌখিন কবুতর ঘর। সেখানে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। সৌখিন কবুতর, খরগোস, বাজরি পাখি, লাভবার্ড, অস্টোলিয়া ঘুঘু, তিতি পাখি, কিং কবুতর একুরিয়ামসহ সকল প্রকার পাখির খাবার ও বাটি-খাঁচা। ময়না পাখি সাড়ে ৪ হাজার ৫০০ টাকা, টিয়া প্রতিটি ১ হাজার, তিতি পাখি ৪ হাজার কিং কবুতর ৪ হাজার লাভবার্ড সাড়ে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি করেন তিনি। প্রায় সময় তার প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বয়সের লোকজন পাখি দেখতে ভীড় করেন।
মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ বাজারের উত্তর পাশে প্রজেক্ট রোড়ের মুখে, নিজামের সৌখিন কবুতর ঘরে পাঁচ বছর ধরে বিক্রি হচ্ছে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। ক্রেতাদের আকর্ষণ ময়না ও টিয়ার দিকেই বেশি। এ ছাড়া ও মিরসরাই উপজেলার মিঠাছড়া বাজের-দুই দোকানে চলে পাখি কেনাবেচা। এখান থেকে ক্রেতারা বিভিন্ন প্রজাতির পাখি সংগ্রহ করেন। নিজাম উদ্দিন উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাপাহাড় এলাকার নুরুল আবছারের ছেলে।
সৌখিন কবুতর ঘরের মালিক নিজাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমার পাখি পোষার শখ। বাড়িতে ছোট বেলায় বিভিন্ন রকমের কবুতর পালন করতাম। সেই থেকে পাখির প্রতি আমার ভালোবাসা। জীবিকা হিসেবে এখন আমার পাখির দোকান রয়েছে। প্রতি মাসে খরচ বাদ দিয়ে ২০ হাজার টাকা আয় হয় আমার। পরিবার-পরিজন নিয়ে এখন ভালো আছি, আমার দোকানে পাখি কিনতে স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীরাসহ সব বয়সের পাখিপ্রেমীরা আসেন।
জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাস্টার বলেন, নিজাম ভালো মানুষ। সে শখের বসে পাখি পালন শুরু করেন। এখন পাখি পালনই তার একমাত্র আয়ের উৎস।