মালদ্বীপে প্রবাসী বাংলাদেশীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিসহ অবৈধভাবে বসবাস ও ব্যবসায়ীদের ধরপাকড় অভিযান নিরসনের লক্ষ্যে প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়ার এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দূতাবাস ভবনের কনফারেন্স রুমে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এতে মালদ্বীপের বিভিন্ন স্থান থেকে বাংলাদেশী কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, সাংবাদিকসহ প্রবাসীরা অংশ নেন।
অভিবাসন সমস্যা নিরসনে অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে দেশজুড়ে ধারাবাহিকভাবে অপারেশন কুরাঙ্গী নামে যৌথ অভিযান চালাচ্ছে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও ইমিগ্রেশন। প্রতিদিনই আটক হচ্ছেন বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত বাংলাদেশীরা। বিশেষ করে বাংলাদেশীরা আটক হচ্ছেন দেশটির আইন পরিপন্থী, কাজের ভিসায় এসে ব্যবসা করার দায়ে। এর প্রতিকার বা কিভাবে বৈধ হয়ে কাজ এবং ব্যবসা করা যায় এমন বেশ কিছু বিষয়ে উপস্থিত কমিউনিটির নেতারা হাইকমিশনারের কাছে দাবি জানান।
সভায় প্রবাসী ব্যবসায়ী ও কমিউনিটির নেতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে হাইকমিশনার বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ এবং মালদ্বীপের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। দুই দেশের অসাধারণ কূটনৈতিক দক্ষতার ফলশ্রুতিতে দিগন্তের উন্মেষের কারণেই মালদ্বীপের শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছিল। সাময়িক বন্ধ থাকলেও খুব দ্রুতই আবার চালু হতে যাচ্ছে। তবে মুষ্টিমেয় কিছু অসাধু চক্রের কারণে বর্তমানে এ সমস্যা দেখা দিয়েছে, খুব দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হবে তার জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
এ ছাড়াও হাইকমিশনার অবৈধ মাদক, ডলার ব্যবসাসহ নানান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে প্রবাসীদের বিরত থেকে, বৈধভাবে রেমিট্যান্স প্রেরণ ও কর্মক্ষেত্রে দেশটির আইন মেনে চলার আহ্বান জানান। সেইসাথে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সহযোগিতায় বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতেও প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মিশনের (শ্রম) কাউন্সেলর মো: সোহেল পারভেজ, শিক্ষা উদ্যোক্তা ও মিয়াঞ্জ গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ মোত্তাকি, ব্যবসায়ী মো: আলতাফ হোসেন, শফিকুল ইসলাম, মো: হাফিজ প্রমুখ।





