নিজে গাড়ি চালিয়ে খাল খনন কর্মসূচিস্থলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
এ সময় পুরো রাস্তাজুড়ে হাজারো সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মী ফুল ছিটিয়ে এবং হাত নেড়ে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পথঘাট।
এ সময় পুরো রাস্তাজুড়ে হাজারো সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মী ফুল ছিটিয়ে এবং হাত নেড়ে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পথঘাট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করে বলেছেন, জনগণের সমর্থনই সরকারের শক্তি এবং যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করবেন।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
জাতীয় দলের এই ক্রিকেটারের দাবি—‘পুলিশের গাড়ি তো ছিল সেখানে। গাড়িতে না তুলে সিএনজিতে করে আমাকে কই নিয়ে যাইতো?.. আমার জায়গায় যদি সাধারণ মানুষ হইতো আপনারা কেউ আসতেন না, এক শ’-দেড় শ’ মানুষ কোশ্চেন করতো না। পুলিশের হাতে যদি মানুষ সেইফ না থাকে তাহলে আর লাভ কী!’
সরকারি মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের বৃহৎ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত প্রথম ধাপে ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক দিনের সফরে কক্সবাজার পৌঁছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও জনসভায় অংশ নেবেন। সফর উপলক্ষে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
কক্সবাজারে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করবেন এবং মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এরপর তিনি পেকুয়া উপজেলায় শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন।
‘বর্তমানে নিম্ন আয়ের ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় এবারের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পরিবারভিত্তিক সহায়তা, কৃষি খাত, সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’
‘গত ১৭ বছরে দেশের স্থলভাগ ও সমুদ্রসীমায় গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম পর্যাপ্তভাবে এগিয়ে নেয়া হয়নি। সমুদ্রসীমা বিজয়ের পরও সম্ভাবনাময় এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান হয়নি। দায়িত্ব গ্রহণের পর বর্তমান সরকার জ্বালানি খাতের এই বাস্তবতা পর্যালোচনা করে বাপেক্সকে আরো শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিনামূল্যে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিনামূল্যে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
দূতাবাস টিম নেপালের রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দসহ ৩৬০ জনেরও বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে আমের প্যাকেট পৌঁছে দেন।
‘এই বাজেটে একদিকে জনগণের ওপর করের চাপ কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, অন্যদিকে রাজস্ব আয়ের পরিধি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেলে উন্নয়ন বাজেটে দেশীয় আয়ের অবদানও বাড়বে।’
‘বিদ্যুৎ খাতে উৎপাদন ও সঞ্চালন সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলেও বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সমানতালে হয়নি। ফলে উৎপাদন ও সঞ্চালন অবকাঠামো সচল থাকলেও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে।’
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০০৪ সংশোধন করে সকল স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ওপর নিবন্ধনের আইনগত দায়িত্ব অর্পণ করা হলে, দেশের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে জন্ম নেয়া প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধনের আওতায় চলে আসবে।
‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খননের মাধ্যমে আধুনিক কৃষির বিপ্লব করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে খাল খনন ও পুনঃখননের মাধ্যমে কৃষিতে নতুন বিপ্লব রচিত হবে। দেশব্যাপী খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৫৪ জেলায় খাল খনন করা হচ্ছে।’
‘সরকার এমন একটি কারিকুলাম করার চিন্তা করছে যেন একটি বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা এবং প্রযুক্তি নির্ভর সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা পাঠ্যপুস্তকে থাকে।’
১২৩টি ফ্লাইটের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ২৮৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল অ্যাজেন্সির ব্যবস্থাপনায় ৪৮ হাজার ২০২ জন হাজী দেশে ফিরেছেন।
উভয়পক্ষই তাদের নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে উভয় দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অপপ্রচার বা গুজব ছড়ানো থেকে বিরত রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদানে সম্মত হয়।
বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে বারবার পতাকা বৈঠক, উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনা তো ঘটছেই, এমনকি বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকার মানুষ মিলে বিএসএফ সদস্যদের ধাওয়া করেছে।