৬ ঘণ্টায় ডিএনসিসির ৫ হাজার ৬৪৪ টন বর্জ্য অপসারণ
আজ দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এক হাজার ২৯৭টি ট্রিপের মাধ্যমে এসব বর্জ্য পরিবহন ও অপসারণ করা হয়।
আজ দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এক হাজার ২৯৭টি ট্রিপের মাধ্যমে এসব বর্জ্য পরিবহন ও অপসারণ করা হয়।
‘সেসব জায়গায় চামড়া জড়ো হয়, সেখানে সার্বক্ষণিকভাবে আমাদের লোক কাজ করছে। তাই পাচার হওয়ার কোনো উপায় নেই। যারা চামড়ায় লবণ মাখিয়ে বিক্রি করবেন, তারা ভালো দাম পাবেন।’
এ কার্যক্রম আগামী আরো দুই দিন চলমান থাকবে। কোরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রায় ১৬ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ৭৫২টি যানবাহন কাজ করছে।
‘আমরা দেশকে একটা সুন্দর জায়গায় দেখতে চাই। আমরা চেষ্টা করছি, পর্যায়ক্রমে সবার জন্য দেশ গড়তে। যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে আমরা কাঙ্ক্ষিত দেশ গড়তে পারব। আমরা যাতে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে পারি, সেটিই চাওয়া।’
কোরবানির ত্যাগের মহিমা থেকে শিক্ষা নিয়ে মনের পশুত্ব ও লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে উঠে আমাদের একটি উন্নত সমাজ গঠন করতে হবে। ভেদাভেদ ভুলে দেশের স্বার্থে ও সামগ্রিক উন্নয়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
নামাজ শেষে দেশ ও জাতির এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এ জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
‘সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য সরকার অত্যন্ত আন্তরিক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল।‘
‘সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ঢাকা মেডিক্যাল পরিবার সাধ্যমতো চেষ্টা করে সেরা সেবা নিশ্চিত করতে। ঈদ কিংবা অন্য ছুটিতেও সেবা দিয়ে যান চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা।’
আজ ঈদুল আজহার দিন দুপুরে রামিসার বাসায় যান রিজভী। এ সময় তার বাবা-মা ও বোনের খোঁজ-খবর নেন এবং তাদের সাথে কথা বলেন।
‘আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। অনেক স্বপ্ন ধারণ করে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু সেই স্বপ্ন আজও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। বহু চেষ্টা ও ত্যাগের পর দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরে এসেছে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা সেনানিবাসে সৈনিক ও কর্মকর্তাদের সাথে ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি, প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করে তাদের প্রতি গর্ব ও প্রেরণা প্রকাশ করেছেন।
দেশের মানুষ আন্তরিকতার সাথে, রুদ্ধ পরিস্থিতির বাইরে, শান্তিতে ঈদ উদযাপন করছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের মুখে নেই কেউ। বরং বর্তমান সরকার মানবিক আচরণ করছে।
ঈদুল আজহা শুধু মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসবই নয়, এটি হিংসা-বিদ্বেষ, অহংকার ও মনের পশুত্বকে কোরবানি করার এক চিরন্তন ও সর্বজনীন আহ্বান।
বাংলাদেশজুড়ে মহামারি হামের ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতদের জন্য দোয়া করা হয়। এছাড়া মোনাজাতে সবার গুনাহ মাফ ও মৃতব্যক্তির কবরের আজাব মাফ চাওয়া হয়েছে। বিশ্বশান্তির জন্য দোয়া করা হয়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য এবং একমাত্র স্লোগান- ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। আমরা বিশ্বাস করি, ‘আমরা করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। এই মূলনীতিকে ধারণ করে দেশের প্রতিটি নাগরিককে সাথে নিয়ে, সবাইকে সাথে নিয়ে একটি সুদৃঢ় জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই।’
অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন, ঈদের দিন সকালে বৃষ্টি হলে জাতীয় ঈদগাহসহ বিভিন্ন স্থানে জামাতে নামাজ আদায়, পশু কোরবানি ও রাস্তাঘাটে চলাচল ব্যাহত হতে পারে।
ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে আমরা মানুষের পাশে দাঁড়াব এবং সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাব।
বার্তায় নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, এই পবিত্র উৎসব ভারতের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভারতের কোটি কোটি মুসলিম অত্যন্ত আনন্দ ও উদ্দীপনার সাথে এই উৎসব উদযাপন করছেন।
প্রথমে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে শ্বশুর, নৌ-বাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কবর জিয়ারত করেন। পরে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করেন।
নামাজের আগে ডেপুটি স্পিকার ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব সর্বসাধারণের উদ্দেশ্যে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। এ সময় ডেপুটি স্পিকার বিশ্বের নির্যাতিত মুসলিম জনগোষ্ঠীর সর্বাঙ্গীণ শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।