সংসদ সচিবালয় কমিশনের ৩৭তম বৈঠকে বাজেট অনুমোদন
বৈঠকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২২৬ কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এর মধ্যে পরিচালন খাতে ২২৬ কোটি ৪৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
বৈঠকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২২৬ কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এর মধ্যে পরিচালন খাতে ২২৬ কোটি ৪৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
‘নিট জ্বালানি আমদানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ তেল, এলপিজি ও সার সরবরাহের ওঠানামার ক্ষেত্রে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে, যেহেতু দেশটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথে পরিচালিত আমদানির ওপর নির্ভরশীল।’
‘কতিপয় ক্ষেত্রে প্রুফ কপি থাকলেও শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি আবেদনকারী অস্বীকার করে। ফলে সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর মধ্যে এক প্রকার অনভিপ্রেত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যা নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।’
‘ঢাকা মহানগর পুলিশের উদ্যোগে বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর সফটওয়্যার উদ্বোধন এটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম নয়; বরং এটি আধুনিক এবং জনবান্ধব ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের একটি দৃঢ় পদক্ষেপ।’
‘বর্তমান বিশ্ব দ্রুত প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে। অপরাধের ধরন যেমন পরিবর্তিত হচ্ছে, তেমনি অপরাধ প্রতিরোধ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কৌশলও প্রতিনিয়ত আধুনিকায়নের প্রয়োজন হচ্ছে।’
নিজ এলাকা রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরে আজহারুল ইসলাম বলেন, বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জের ৭৫ শতাংশ রাস্তা এখনো কাঁচা। বদরগঞ্জ বন্দরে তীব্র যানজট নিরসনে বাইপাস সড়ক এবং পার্বতীপুর থেকে রংপুর পর্যন্ত রাস্তা চার লেনে উন্নীত করা জরুরি।
সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষের মধ্যে পুলিশ প্রশিক্ষণ ও সংস্কার, মিডিয়া ও পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক বজায়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখা, সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বিরোধী দলের অনুপাত প্রায় ২৬ শতাংশ হওয়ায় তাদের পক্ষ থেকে পাঁচজনের নাম চাওয়া হয়েছে। বিরোধী দল যদি এই পাঁচজনের নাম দেয়, তাহলে মোট ১৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা সম্ভব হবে।
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদকে জানান, এখানে কনসেপচুয়াল ডিফারেন্স আছে। আমরা চেয়েছি রিফর্ম আর এখানে হচ্ছে অ্যামেনমেন্ট। এই জায়গাটায় আগেও আমাদের ডিফারেন্স ছিল। এখনও এটা আছে। উনাদের প্রস্তাব আমরা নিলাম, শুনলাম। কিন্তু, আমরা পরে জানাবো।
সাক্ষাৎকালে দু’দেশের মধ্যে কৃষি খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও প্রযুক্তি হস্তান্তরসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।
‘বাংলাদেশের তৈরি পোশাকখাত উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করলেও স্বর্ণ ও হীরা শিল্পসহ অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাত এখনো পিছিয়ে রয়েছে। এসব খাত থেকে প্রস্তাব এলে তৈরি পোশাকশিল্পের সমান সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে।’
বৈঠকে দু’দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, প্রতিরক্ষা, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, সার আমদানি, ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিকরণ, ফৌজদারি মামলাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এ বিষয়ে বিরোধী দলীয় নেতা মো: শফিকুর রহমান বলেন, কমিটি গঠন নিয়ে তাদের কিছু মৌলিক মতপার্থক্য রয়েছে। তবে অভ্যন্তরীণ আলোচনা শেষে তারা তাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন।
‘চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলে আধুনিক চিকিৎসা বিষয়ক শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত এ মেডিক্যাল কলেজ স্বাস্থ্যখাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।’
একটি আসনের প্রার্থীতা নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা থাকায় এবং একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র নতুন করে গ্রহণে আদালতের আদেশের কারণে সেটির সিদ্ধান্ত পরে হবে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার মো: মঈন উদ্দিন খান।
বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত মানুষ গণহত্যার শিকার হয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো স্বাধীনতার এত বছর পরেও তাদের একটি সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হয়নি। অথচ তাদের এই আত্মত্যাগের বিনিময়েই অর্জন করেছি আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে নিবিড় গবেষণার ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
‘সরকার মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে গণহত্যার শিকার ও সব শহীদের একটি ‘নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য’ তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হবে।’
এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বগুড়া বিমানবন্দর স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
সরকার পর্যাক্রমিকভাবে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে। পৃথিবীর কোনো সরকারের পক্ষেই একবারে এটি করা সম্ভব না। এর জন্য প্রত্যেকটা ফ্যামিলির ডাটা কালেক্ট করতে হবে। প্রথম স্টেজে প্রান্তিক পরিবারকে আমরা এই কার্ডগুলো দেবো। কাজেই আমরা বাজেটটি তৈরি করব এবং কার্ড দেয়ার সংখ্যাটা ধীরে ধীরে বাড়াব। সেজন্যই আমরা এ ব্যাপারে যেসব হিসাব নিকাশ করেছি, তাতে বাজেটের ওপর চাপ পড়ার কোনো কারণ নেই।