বন অধিদফতরের কর্মকর্তাদের সাথে পরিবেশমন্ত্রীর মতবিনিময়
‘উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে চরাঞ্চলে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের বনাঞ্চলের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে।’
‘উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে চরাঞ্চলে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের বনাঞ্চলের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে।’
প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক করিডরের জন্য তিনটি খাতকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। এগুলো হলো-কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, পর্যটন ও সংযোগ, এবং স্বাস্থ্যসেবা ও দক্ষতা উন্নয়ন।
‘বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিতিশীল ও সঙ্কটপূর্ণ পরিস্থিতিতে স্বাবলম্বী হওয়াই একটি জাতির টিকে থাকার প্রধান শক্তি। এ ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা খাতকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে স্থানীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই টেকসই উন্নয়নের পথ।’
‘ডিএসসিসির পূর্ব ঘোষিত এক নোটিশ অনুসারে টার্মিনালের বাইরে সড়কের পাশে থাকা সব অবৈধ টিকিট কাউন্টার বন্ধ ও অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে আজ সোমবার অবৈধ ৩১টি বাস কাউন্টারে ৪১টি তালা দিয়ে সিলগালা করা হয়।’
প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি ব্যবহারে ৩০ শতাংশ সাশ্রয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
‘পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক উৎসবগুলো কেবল আনন্দ আয়োজনের মাধ্যম নয়, বরং এগুলো ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।’
‘তোমাদের জ্ঞান ও গবেষণার মাধ্যমে জাতির প্রতি দায়বদ্ধতা পালন করতে হবে। দায়বদ্ধতা থেকেই প্রকৃত দেশপ্রেমের সূচনা হয়। নিজেদের এমনভাবে গড়ে তোলো যেন তোমরা সম্পদে পরিণত হও এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারো।’
‘পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আমরা নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। বর্ষবরণের আয়োজন আসলে কৃষকের সংস্কৃতি। এ দেশের মানুষ আগে কখনই ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য বাইরে বা অন্য দেশে যায়নি। বরং বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটক, মনীষীরা এ দেশে এসেছেন। কিন্তু ঐতিহাসিক নানা কারণে আমরা অনেক পিছিয়ে গেছি। এটি পুনরুদ্ধার করা হবে।’
আজ বাংলা সনের অন্তিম দিন-৩০ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। এই দিনটি কেবল একটি পঞ্জিকার সমাপ্তি নয়; এটি এক দীর্ঘ বছরের ক্লান্তি, জীর্ণতা ও গ্লানিকে মুছে ফেলার প্রতীকী মুহূর্ত। নতুন উদ্যমে, নব প্রত্যয়ে জীবনকে পুনরারম্ভ করার এক অন্তর্লীন প্রেরণা জাগায় চৈত্র সংক্রান্তি। তাই এটি শুধু বিদায়ের দিন নয়, বরং নবসূত্রে গাঁথার এক নীরব অঙ্গীকার।
‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের একটি পরীক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন অংশীদার। বর্তমান সরকারের মেয়াদে আমরা দুই পক্ষের বিদ্যমান সহযোগিতা আরো জোরদার ও প্রসারিত করতে চাই।’
প্রথমবারের মতো দেশে বসেই নুসুক কার্ড পাচ্ছেন হাজীরা
‘হজ ব্যবস্থাপনা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী সোমবার হজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে আড়াই ঘণ্টা বৈঠক করে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন।’
শিগগিরই ঢাকা মহানগরীতে এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় আজ আমরা নানাবিধ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এ প্রেক্ষাপটে আমাদের আরো সংযমী, ধৈর্যশীল ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে সক্ষম হবো- এই প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।
সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষ পুলিশ সংস্কার, নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন কৌশল, বাণিজ্য সহযোগিতা ও পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এর মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও সুশাসনের ঘাটতি দূর করার পরিবর্তে দায়মুক্তি ও বিচারহীনতার পূর্ববর্তী কর্তৃত্ববাদী চর্চা অব্যাহত রাখা হয়েছে বলেও মনে করে সংস্থাটি।
‘বিশ্ব আজ নানা সঙ্কট ও সঙ্ঘাতে বিপর্যস্ত। এ প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরো জরুরি হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি-এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি।’
এ সময় প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, আমরা অতীতে সমালোচনা করেছি যে জিডিপির সাথে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ মেলে না। এই অবস্থায় পড়তে চাই না।
নির্বাচনী বিজয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তার ইশতেহারে দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো একে একে বাস্তবায়ন করছেন।
‘বৈঠকে দেশের কৃষি, শিল্প এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কৃষি ও শিল্পের বিকাশ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।’
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে সাত দিনব্যাপী শুরু হচ্ছে বৈশাখী মেলা।