শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শন করলেন বিমানমন্ত্রী, মিষ্টি বিতরণ ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়
পরিদর্শনকালে তিনি যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে কর্তব্যরত কর্মীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে কর্তব্যরত কর্মীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন।
ঈদের নামাজ শেষে পরিবারের সদস্যদের সাথে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারাও প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।
বাঘ, সিংহ, ভাল্লুক, হরিণ, জলহস্তি, গন্ডার দেখে অনেকেই যেন ফিরে গেছেন শৈশবে। সাধারণ মানুষ বলছেন, লম্বা ছুটিতে এবার ঈদ উদযাপন হচ্ছে মন খুলে।
সিপিএফ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স কাঠামো, যার মাধ্যমে কোনো সদস্য রাষ্ট্র এবং আইএইএ’র মধ্যে মধ্যমেয়াদী কারিগরি সহযোগিতার পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’য় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ প্রধানমন্ত্রীর সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ে করতে আসেন।
তিনি বলেন, জনগণ যে বাংলাদেশ দেখতে চায়, সেই প্রত্যাশিত দেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাবে। এ লক্ষ্য পূরণে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
শাহী ঈদগাহে ঈদের জামাতে এবার মনোরম আবহাওয়ায় লাখো মুসল্লি নামাজ আদায় করেন। নগরীর বাসিন্দা ছাড়াও দূর দূরান্তের বাসিন্দারাও জামাতে শরীক হন।
ঈদের নামাজ আদায়ের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসেন রাষ্ট্রীয় বাসভবন যমুনায়। এখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ে শেষে তিনি মা-বাবা কবর জিয়ারত করতে যান।
সাক্ষাৎকালে তারা পরস্পরের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। কুশলাদি বিনিময়ের পাশাপাশি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।
নামাজ শেষে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, অব্যাহত অগ্রযাত্রা ও সমৃদ্ধি এবং দেশবাসী ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত এই জামাতে ইমামতি করেন ইসলামী ফাউন্ডেশন কর্তৃক মনোনীত মাওলানা ক্বারী গোলাম মোস্তফা। বিকল্প ইমাম হিসেবে ছিলেন মুফতি মাওলানা আতিকুর রহমান।
জাতীয় মসজিদে সকাল ৭টা থেকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি জামাতের আগেই মসজিদ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
সংসদ ভবনের টানেলে এ বছর প্রথমবারের মতো নারীদের জন্য ঈদের জামাতের ব্যবস্থা করা হয়।
এর আগে ১৯৮৯-৯০ সালে কাজী জাফর আহমদ দেশের পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দুই নারী পালাক্রমে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।
প্রথম ও দ্বিতীয় জামাতে কয়েক হাজার মুসল্লি অংশ নেন এবং নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রমজান মাসের সিয়াম সাধনা শেষে বিশ্বের প্রায় দুই বিলিয়ন মুসলমান ঈদ উদযাপন করছেন। তবে এ আনন্দের সময়েও ইরান, লেবানন ও উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্ঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কথা গভীর উদ্বেগের সাথে স্মরণ করেন তিনি।
‘প্রিয় দেশবাসীকে আমার স্ত্রী ও আমি জানাই ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা। আপনাদের ঈদ হোক খুশির, আনন্দময় এবং নিরাপদ।’
‘ঈদের অনাবিল আনন্দে সবার জীবন ভরে উঠুক। সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে যাক সবার ঘরে ঘরে। প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ, মুসলিম উম্মাহ ও বিশ্বের সকল মানুষের সুখ, শান্তি, কল্যাণ ও উত্তরোত্তর উন্নতির জন্য আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি।’
'এক মাস সিয়াম সাধনার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর ঘরে ঘরে আনন্দের বার্তা নিয়ে আসুক।'