ঢাকায় বিমান বিধ্বস্তে জাতিসঙ্ঘ ও বিভিন্ন দেশের শোক
মঙ্গলবার ঘোষিত এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের সাথে জাতিসঙ্ঘ একাত্মতা প্রকাশ করছে এবং জরুরি অবস্থায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে।
মঙ্গলবার ঘোষিত এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের সাথে জাতিসঙ্ঘ একাত্মতা প্রকাশ করছে এবং জরুরি অবস্থায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে।
ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলন, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনের দুর্নীতি, সাত কলেজ ইস্যুতে সবসময় ছিলেন সামনের সারিতে।
দুর্ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের নয়টি ইউনিট এবং তাদের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনীর সদস্যরা উদ্ধার কাজ শুরু করে।
দুর্ঘটনার বিস্তারিত তথ্য তদন্তসাপেক্ষে জানানো হবে বলে জানানো হয়।
নতুন কমিটি গঠনে তিন সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন কমিটির দায়িত্ব পালন করেন কামাল চৌধুরী, কাজী তোফায়েল আহমদ ও মোস্তফা সেলিম।
আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন বলে প্রেস উইংয়ের বার্তায় বলা হয়।
সন্ধ্যার পর বিমানের ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে ১২ বছরের এক কিশোর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে সেনাসদস্য, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
বিকেলে র্যাবের একটি গাড়িতে নিহত পাইলট তৌকিরের বাবা, মা, বোন, ভগ্নীপতি ও মামাকে রাজশাহীর হযরত শাহমখদুম (র.) বিমানবন্দরে নেয়া হয়। সেখান থেকে বিমানবাহিনীর একটি বিমানে ঢাকায় আনা হয়।
‘এ বছরও জাতীয় মৎস্য পদক নীতিমালা অনুযায়ী মৎস্য খাতে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাতটি ক্ষেত্রে মোট ১৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় মৎস্য পদক ২০২৫ প্রদান করা হবে।’
ঘটনার পর পরই সিনিয়র সেকশনের শিক্ষার্থীরা উদ্ধার কাজে নেমে পড়ে। তারা জানায়, দুর্ঘটনা কবলিত ওই ভবনের প্রবেশের জন্য একটিমাত্র প্রবেশদ্বার রয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে যুদ্ধবিমানটি কুর্মিটোলায় বিমান বাহিনীর এ কে খন্দকার ঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পর যান্ত্রিক ত্রুটির সম্মুখীন হয়।
রাজশাহীর বাসায় আহাজারি
নিহত পাইলট তৌকিরের বাড়ি রাজশাহী উপশহরের ৩ নম্বর সেক্টরে। তিনি তোহরুল ইসলাম এবং সালেহা খাতুন দম্পতির সন্তান। মাত্র ছয় মাস আগে তার বিয়ে করেছিলেন তিনি।
শিক্ষার্থীরা সরাসরি দুর্ঘটনার দৃশ্যের মুখোমুখি হয়। এতে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে নিজেদের আটকে রাখে।
দুপুর থেকেই হাসপাতালের সামনে এবং ভেতরে অগণিত মানুষের ভিড় দেখা গেছে। কেউ এসেছেন আহতদের খোঁজে, কেউ রক্ত দিতে। এ সময় রোগীদের নিয়ে হিমশিম খেতে দেখা গেছে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের।
সোমবার (২১ জুলাই) বিকেলে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে এমন চিত্র দেখা গেছে। অভিভাবকরা ছুটে এসে সন্তানকে খুঁজছেন, শুধু পোশাক দেখে শনাক্তের চেষ্টা করছেন।
এর মধ্যে সরকারি কলেজে শূন্য পদ ৬৫৩, আর সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে শূন্য পদ ৩০টি।
বার্ন ইনস্টিটিউটে ৭০ জন ভর্তি আছে। আরও ১০-১৫ জনকে এখানে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব। এরপর আরো রোগী এলে তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেয়া হবে।
সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। আশা করি, আগামী সপ্তাহে সম্পূরক খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
সেখানে তারা দায়িত্বরত চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন এবং দগ্ধ রোগীদের অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
মর্মান্তিক প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে কমিশন।