জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা থেকে এ টি এম আজহারুল ইসলামের খালাসের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আপিল বিভাগের রায়ে প্রমাণ হয়েছে, পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার কোনো অপরাধ নয় বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় জাতীয় নেতাদের বিচারের নামে ফরমায়েশি রায় দিয়ে বিচারিক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছে।’
মঙ্গলবার (২৭ মে) বাদ আসর জামায়াতের কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট জামায়াতের উদ্যোগে নগরীর বন্দর বাজারের কুদরত উল্লাহ মসজিদে আজহারের খালাস উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত শোকরানা সমাবেশ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক ফজলুর রহমান বলেন, ‘জামায়াত নেতা আজহারের বেকসুর খালাসের মাধ্যমে একদিকে জাতি একজন পরীক্ষিত নেতাকে পেয়েছে আর আমরা এক জীবন্ত শহীদকে ফিরে পেয়েছি। আমরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি, আলহামদুলিল্লাহ।’
তিনি বলেন, ‘রায়ের পর্যবেক্ষণ সর্বোচ্চ আদালত বলেছেন, সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা ছাড়াই তাকে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল। যা ছিল বিচারের নামে চরম অবিচার। আদালতের রায়ের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে যে সত্যকে চাপিয়ে রাখা যায় না। এ রায় মহান রবের পক্ষ থেকে হকের ঝলক এবং আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত।’
উচ্ছ্বাস নয়, মিছিল নয়, স্লোগান নয়, আসুন মহান আল্লাহর কাছে শোকর আদায় করে তার কাছে মাথা নত করি বলে জানান জামায়াতের এ নেতা।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর নায়েবে আমির ড. নূরুল ইসলাম বাবুলের পরিচালনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। তার আগে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, জামায়াতের সিলেট অঞ্চল টিমের সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা হাবিবুর রহমান।
এ সময় মহানগর সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল মুকিত, মুফতী আলী হায়দার, মাওলানা মুজিবুর রহমান, ক্বারি আলাউদ্দিন, আজিজুল ইসলাম, শফিকুল আলম মফিক, রফিকুল ইসলাম জায়গীরদার, শামীম আহমদ, শাহেদ আলী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগর সভাপতি শাহীন আহমেদ ও শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির সভাপতি তারেক মনোয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া মাহফিলে সিলেট জেলা ও মহানগর জামায়াতের অসংখ্য নেতাকর্মীসহ শত শত মুসল্লি অংশ নেন।








