জোটের শরীকদের আসন বন্টন সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মনোনয়নের নামে বানরের পিঠা ভাগ করা যাবে না। জোটের যেসব প্রার্থীর জেতার সম্ভাবনা আছে কেবল তাদেরকেই ছাড় দিতে চায় আওয়ামী লীগ। এ ক্ষেত্রে ৬৫ থেকে ৭০ টি আসন ছেড়ে দেয়া হতে পারে।
দলের মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীরা চূড়ান্ত নয় জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘মনোনয়ন দেয়া মানে চূড়ান্ত নয়, যারা চিঠি পেয়েছেন তাদের অনেকেরই আবার মাঠে আবার জরিপ করা হবে। তারপর যাকে মনোনয়ন দেয়া হবে তাকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হবে।’
সোমবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন স্থানে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিপক্ষের কাছে কৌশলে মার খেতে চায় না আওয়ামী লীগ। তাই একটু ধৈর্য ধরে দলীয় প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, উপ দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়ন পাওয়ার পর অনেক জায়গায় বিক্ষোভ প্রসঙ্গে কাদের আরো বলেন, আওয়ামী লীগের মতো এতো বড় দলে দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা থাকতেই পারে। তবে কোনো প্রার্থীর যোগ্যতা বেশি থাকলে সেখানে ছাড় দেয়া হবে।
মনোনয়নে ব্যাপক পরিবর্তন আসার ঘোষণার প্রতিফলন কি জনতে চাইলে কাদের বলেন, ৪৫ জন নতুন মুখ দেয়াই চমক। রানা ও বদিকে নিয়ে বিতর্ক থাকায় তাদেরকে নমিনেশন দেয়া হয়নি।
আওয়ামী লীগ থেকে যারা মনোনয়ন পাননি তারা ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিচ্ছেন এর জবাবে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ থেকে দু ’একজন বেরিয়ে গেলে কিছু যায় আসে না। আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা অনেক বেশী।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি প্রসঙ্গে কাদের বলেন, ‘হেরে যাবার ভয়ে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। যারা নির্বাচনের এক মাস আগে ইলেকশন কমিশনের পরিবর্তন চান তারা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেবে এটা আমার বিশ্বাস হয়না।’





