সবাইকে সাথে নিয়ে উন্নত ঢাকা গড়তে চান বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর গ্রিন রোডে তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

তি‌নি ব‌লেন, আমরা দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করব। বিএনপির প্রার্থী যিনি পরাজিত হয়েছেন তার প্রতি আমার সহানুভূতি, সমবেদনা রয়েছে।

আমি আশা করবো তারাও আমাদের সহযোগিতা করবে। তাদের প্রতিও শুভ কামনা রইল। কারো প্রতি আমাদের কোনো বিদ্বেষ নেই। আমি আশা করব, উন্নত ঢাকা গড়ার জন্য তারাও সহযোগিতা করবে। সকলকে নিয়ে উন্নত ঢাকা গড়তে চাই।

বক্ত‌বের শুরু‌তে তাপস ব‌লেন, আমি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন শুকরিয়া আদায় কর‌ছি। শ্রদ্ধা জানাই আমাদের মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি। জাতীয় চার নেতা, ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ মা-বোনদের প‌্র‌তি। আমি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি সকল ভাষা শহীদদের প্রতি। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা ভাষার অধিকার পেয়েছি। এই বিজয়, এই অভূতপূর্ব সাড়া এবং উন্নত ঢাকা গড়ার রায়, ঢাকাবাসীর বিজয়। আমি এই বিজয় ঢাকাবাসীর জন্য উৎসর্গ করছি।

তি‌নি ব‌লেন, আমার বিশ্বাস ছিল ঢাকাবাসী আমাদের প্রাণের ঢাকাকে উন্নত ঢাকা গড়ার লক্ষে রায় দি‌বে। তা‌দের অভূতপূর্ব সাড়া আমি পেয়েছি। উন্নত ঢাকা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ঢাকাবাসীর কাছে গিয়েছিলাম।

তাপস ব‌লেন, দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের কাজ আরম্ভ করব। আমি অভিনন্দন জানাই যারা কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছে। আমরা সকলে মিলে উন্নত ঢাকা গড়ার নব সূচনা, একটি নব যাত্রা সৃষ্টি করব। ঢাকাবাসীর প্রত্যাশিত উন্নত ঢাকা গড়ার লক্ষ্যে সততা, নিষ্ঠা নিয়ে আমরা কাজ করব।

এসময় তি‌নি নির্বাচনে গণ প্রচারণার সময় যে ব্যানার, পোস্টার, ফেসটুন লাগানো হয়েছে আগামীকালের মধ্যেই তা নামিয়ে ফেলতে নেতাকর্মীদের প্রতিও আহ্বান জানান।

তি‌নি ব‌লেন, আমরা যে গুরুদায়িত্ব পেয়েছি এই দায়িত্ব পালনে সদা সচেষ্ট থাকবো। কোনোরকম বিশৃঙ্খলা, অশুভ শক্তি যেনো আমাদের ঢাকাকে অচল করতে না পারে। সে দিকে আমরা খেয়াল রাখব। আমরা ধৈর্য ও সহনশীলতার সঙ্গে মোকাবিলা করব।

এক প্র‌শ্নের জবা‌বে তি‌নি বলেন, এটা‌ে খুবই দুঃখজনক যে প্রিয় ঢাকাবাসীর রায়ের বিরুদ্ধে এরকম হরতাল ডেকে ঢাকাকে অচল করার চেষ্টা করা হয়েছে। এটি কাম্য নয়, আমি এর নিন্দা জানাই। ঢাকাবাসীর রায়ের প্রতি সকলের সম্মান করা উচিত ছিল। এটাকে গ্রহণ করা উচিত ছিল। আমি খুবই মর্মাহত হয়েছি। জনগণের রায়কে এভাবে প্রত্যাখান করা ঠিক হয়নি বলে আমি মনে করি।