বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেছেন, সরকার প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি করছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছে। কুইক রেন্টাল নামে কুইক চুরি করছে। ৫৪ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। সুইচ ব্যাংকে এখন আর টাকা রাখার জায়গা নাই। দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাও ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। রাতে ভোট হয়। সব ক্ষেত্রেই সরকার ব্যর্থ ।

রোববার বিকেলে নারায়ণগঞ্জে চাষাঢ়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ওই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলার ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মনিরুল ইসলাম রবি। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব মামুন মাহমুদ, যুগ্ম আহবায়ক জাহিদ হাসান রোজেল, ফতুল্লার যুগ্ম আহবায়ক শহীদুল ইসলাম টিটু, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান রনি প্রমুখ।

সোহেল বলেন, নানা কারণে বন্দর নগরী নারায়ণগঞ্জ সমাদৃত ছিল। কিন্তু এ নারায়ণগঞ্জ আর উন্নয়নের নারায়ণগঞ্জ হিসেবে পরিচিতি পায় না। এখন পরিচিতি পাচ্ছে গডফাদার ও গডমাদারের নগরী হিসেবে। এক সময়ে নারায়ণগঞ্জের ভালো মানুষেরা আর চুপচাপ বসে থাকবে না। এখানকার গডফাদার ও গডমাদারের সাম্রাজ্যের পতন ঘটাবে।

নারায়ণগঞ্জের দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহবান জানিয়ে হাবিব উন নবী বলেন, অচিরেই আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্দেশ দিবেন। তখন আমাদের মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। প্যাকেজ করে আমাদের নেত্রীর যেমন মুক্তি আদায় করতে হবে, তেমনি আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরবে সেই সঙ্গে সরকারের পতন ঘটবে। তাই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে বলবো আপনারা কাপড় চোপড় রেডি রাইখেন। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট কিন্তু পালানোর সময়ে কাপড় পাননি। আপনারা যাতে পান সেটা রেডি করে রাইখেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, একটি নিরপেক্ষ ও সুস্থ নির্বাচন দেন, নয়তো ইতিহাস আপনাকে রেহাই দিবে না।

নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি বলেছেন, আমরা যখন ঐক্যবদ্ধ হবো, তখন এই কুলাঙ্গার আওয়ামী লীগ আমাদের মাঝে ভেদাভেদ তৈরি করে রাখে। আমাদের সমাবেশ নষ্ট করতে একটি কুচক্রি মহল বাঁধা প্রদান করে থাকে। কেউ যদি মনে করে আমি অনেক বড় নেতা, তাহলে মাঠে আসেন দেখবো আপনি কত বড় নেতা। যারা আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করে চলে তারাই উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়।