বিএনপির তিন অঙ্গ সংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের ডাকা তারুণ্যের সমাবেশে যোগ দিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা।

আজ শনিবার দুপুর ২টার পর থেকেই ঐতিহাসিক এই উদ্যানে যৌথভাবে সমাবেশ করবে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। আজকের সমাবেশে নতুন ভোটার ও তরুণদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিবেন সমাবেশের প্রধান অতিথি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধান বক্তা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী ও বিশেষ বক্তা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন থাকবেন।

তারুণ্যের এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সঞ্চালনায় থাকবেন যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম মিল্টন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।

পূর্ব নির্ধারিত এই সমাবেশ উপলক্ষে সকাল থেকেই সমাবেশ স্থলে জড়ো হচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা। খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আসছেন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে অবস্থান করছেন তারা। বিএনপি নেতাকর্মীরা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিসহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছে।

দেশ বাঁচাতে তারুণ্যের সমাবেশে ঢাকা, কুমিলা, ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর বিভাগের তরুণরা এই সমাবেশে অংশ নিবেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মঞ্চ তৈরি করা শেষ হয়েছে। লাগানো হয়েছে মাইক। ব্যানার পোস্টার ও পেস্টুনে ছেয়ে গেছে মাঠের চারপাশ।

উল্লেখ্য, বিএনপির গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তরুণ ভোটারদের অংশ নেয়ার জন্য উজ্জীবিত করতেই দেশের ছয় বিভাগে এই কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয়া হয়। দলটির অঙ্গ সংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সমন্বয়ে এই সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে দলটির নীতি নির্ধারণী ফোরাম। সংগঠন তিনটির পক্ষ থেকে পরে দিনক্ষণ ও তারিখ ঘোষণা করা হয়। ওই ঘোষণা অনুযায়ী ১৪ জুন চট্টগ্রাম, ১৯ জুন বগুড়া, ২৪ জুন বরিশাল, ৯ জুলাই সিলেট ও ১৭ জুলাই খুলনায় তারুণ্যের সমাবেশ করেছে।

এরই ধারাবাহিকতায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ ঢাকায় সমাবেশ করছে। এরই মধ্যে ঢাকার বাইরের সব কয়টি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনেকটাই শান্তিপূর্ণভাবে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব সমাবেশের উপস্থিতি ছিল বেশ নজরকাড়া। এবার ঢাকার সমাবেশে সফলভাবে সম্পন্ন করতে চায় দলটি।