জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, শুধু ক্ষমতার পালাবদলের জন্য ২৪ এর অভ্যুত্থান হয় নাই। ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য ২৪ এর অভ্যুত্থানে আমরা অংশ নিয়েছিলাম। বাংলাদেশে শুধু নির্বাচন দিয়ে এদেশের গণতন্ত্রকে সুরক্ষা দেয়া সম্ভব নয়। ১৪, ১৮, ২৪ এ নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে সুরক্ষা দেয়া সম্ভব হয়নি। এদেশের গণতন্ত্রকে সুরক্ষা দিতে হলে নির্বাচনের পূর্বেই মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে। ক্ষমতার ভারসাম্যের প্রশ্নে উচ্চকক্ষে ভোটের অনুপাতে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজন রাজধানীতে জাতীয় সমাবেশ। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে উচ্চকক্ষ চাই না, এই বক্তব্য যারা দেয় তারা জাতির সাথে প্রতারণা করছে।
শনিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব বলেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এবং তার দোসররা গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত করেছে। সেটাকে যদি বিচারের আওতায় না নিয়ে আসা হয়, ২৪ এর সাথে বেইমানি করা হবে। অতএব বাংলাদেশে ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো ফ্যাসিবাদ এবং স্বৈরাচার জন্ম নিতে না পারে ঠিক এই কারণে আওয়ামী লীগ এবং তার দোসরদেরকে অবিলম্বে বিচারের আওতায় দাঁড় করাতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অফিস হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনার বাইরে রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আর এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। জুলাই সনদ এবং জুলাই ঘোষণাপত্র নিছক কোনো ইতিহাসের দলিল না হয়ে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির সনদ সেখানে লিপিবদ্ধ থাকতে হবে। মৌলিক সংস্কারের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়ন করে, সেটাকে সুরক্ষা দিয়ে বাস্তবায়নের জন্য লিগ্যাল অর্ডারের মধ্য দিয়ে করে বাস্তবায়ন করতে হবে।
বাংলাদেশের মানুষ নতুন দিনের প্রত্যাশা করে। নতুন দিনে বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল পক্ষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্বকে রক্ষায় একযোগে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এনসিপি সদস্য সচিব আখতার হোসেন।








