হাঁটা শিখেছে, ছোটা শিখেছে, হয়েছে ভারি দস্যি
এ-ঘর থেকে ও-ঘরে যাওয়া তার কাছে যে নস্যি!

চোখ পাকানো, ভয় দেখানো, আকাশে ছোড়া হস্ত—
এসব কোনো ব্যাপার হলো? দস্যি যে সে মস্ত।

তটস্থ মা দিনরাত্রী কখন কী সে ঘটায়
দেয়ালে লেখে, ফ্রিজেও লিখে ফ্রিজের রঙ চটায়।

সেদিন রাতে কিচেনে তার করছিল মা রান্না,
খেলছিল সে ড্রয়িংরুমে; হঠাৎ জোরে কান্না!

মা ছুটে যায় রুদ্ধশ্বাসে, হয় সে বাকরুদ্ধ;
ছায়ার সাথে লড়ছে বাবু, করছে যেন যুদ্ধ।

নিজেরি ছায়া ড্রয়িংরুমে করেছে তাকে ধাওয়া;
ভয়ে সে কাঁপে এ কার সাথে সমানে লড়ে যাওয়া!

সে মারে ঘুষি, ছায়াও মারে, লাথি মারলে পাল্টা
ছায়াও তোলে পা তার দিকে, সে ভাবে, কে মাতালটা

এভাবে তার লেগেছে পাছে? ভয়ে সে জড়োসড়ো
মা হেসে কয়, এ তোর ছায়া, দেখতে লাগে বড়,

কিন্তু এর নেই যে প্রাণ, পারে না কিছু করতে;
ছায়ার ভয়ে হায় রে বোকা পালাবি গিয়ে গর্তে?