নতুন এক রাজকুমারী জন্ম নিয়েছে রাজার ঘরে। সমস্ত পরীরা এসেছে তাকে দোয়া করার জন্য। কিন্তু শয়তানী পরী তাকে বদ দোয়া করল। ষোলোতম জন্মদিনে মারা যাবে রাজকুমারী। সুতো কাটা চরকায় জড়িয়ে মারা যাবে সে।
একজন সুপরী বলল, ‘একশ বছর ঘুমিয়ে থাকবে রাজকুমারী। আর জেগে উঠবে একজন রাজপুত্রের স্পর্শে। রাজা হুকুম জারি করলেন, ‘রাজ্যের সমস্ত চরকাগুলো ধ্বংস করে দাও। ষোলোতম জন্মদিনে রাজকুমারী একটি ভবনে উঠল।
ভবনটি ছিল একজন বৃদ্ধার। রাজার ঘোষণা তার কানেই যায়নি। বৃদ্ধা তখন তার চরকায় সুতা কাটছিলেন। চরকার চাকা ছোঁয়ার সাথে সাথে রাজকুমারী অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেল।
সুপরী রাজপ্রাসাদের সবার উপর যাদুমন্ত্র প্রয়োগ করল। রাজপ্রাসাদের সব জায়গায় ঘাস গজিয়ে উঠল। একশ বছর পর এক রাজকুমার
আসে ঘাস কেটে রাজপ্রাসাদে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ল সুন্দরী রাজকুমারীকে। তাকে একটু স্পর্শ করার সাথে সাথে ঘুমন্ত প্রাসাদ আবার জেগে উঠল। তারপর রাজকুমার আর রাজকুমারীর সাথে বিয়ে হয়ে গেল। সুখের জোয়ারে ভেসে গেল গোটা প্রাসাদ।