আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এমনিতেই নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে পৃথিবীব্যাপী করোনা মহামারী। এই মহামারী বাংলাদেশেও ছাড়িয়ে পড়েছে। মানুষের জীবনজীবিকার ওপর কোভিট-১৯ এর নেতিবাচক প্রভাব সঠিকভাবে নিরূপণ করা এখনো সম্ভব হয়নি। এ সম্পর্কে সরকারি ভাষ্য যা গণমাধ্যমে প্রচার করা হয় তা সম্পূর্ণ সঠিক বলে মনে হয় না। প্রকৃতপক্ষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি।
শিক্ষাব্যবস্থা বা শিক্ষা খাতকে সার্বিক সমাজব্যবস্থা থেকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নাই। বস্তুতপক্ষে একটি দেশের সমাজকাঠামো বা সমাজব্যবস্থা সেই দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, সাহিত্য, রাজনীতি সবকিছুকেই নিয়ন্ত্রণ করে। সামাজকাঠামো বা সমাজব্যবস্থা নির্মাণের মূলে রয়েছে অর্থনীতি বা অর্থব্যবস্থা। অতএব, অর্থব্যবস্থাই অন্য সব ব্যবস্থার নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে।
আমাদের দেশের দুর্বল অর্থব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে আজো একটি যুগপোযোগী, বৈষম্যহীন, বাস্তবধর্মী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে উঠেনি; তৈরি হয়নি সেই ধরনের শিক্ষানীতি। অতীতে শিক্ষাবিদদের নিয়ে শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়েছে; উপযুক্ত শিক্ষানীতিও প্রণয়ন করা হয়েছে, কিন্তু তার কিছুই বাস্তবায়ন হয়নি। তাই আমার মনে হয় সমাজকাঠামো তথা সমাজব্যবস্থা পরিবর্তনের মাধ্যমেই শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কার সম্ভব হবে এবং বৈষম্যহীন, যুগোপযোগী, বাস্তবধর্মী, কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি কারখানার সাথে তুলনা করা যায়। যেমন একটি কারখানার যন্ত্রপাতি তথা মেশিনগুলো যত উন্নতমানের হবে, সেই কারখানার উৎপাদিত দ্রব্য (ঋরহরংযবফ ঢ়ৎড়ফঁপঃং) ততটাই উন্নত হবে। একটি নিম্নমানের কারখানার উৎপাদিত দ্রব্যের সাথে একটি উচ্চমানের কারখানার উৎপাদিত দ্রব্যের বিশাল পার্থক্য লক্ষ করা যায়। স্বাভাবিক কারণে বাজারে চাহিদারও তারতম্য দেখা যাবে। গুণগতমান যে পণ্যের বেশি সে পণ্যই বাজার দখল করবে এবং ক্রেতা সাধারণের তুষ্টি বৃদ্ধি করবে। তেমনি শিক্ষাব্যবস্থা যদি উচ্চমানের হয়, যুগের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হয়, দেশপ্রেমিক, সুনাগরিক এবং দক্ষ মানব সৃষ্টিতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারে, তাহলেই কেবলমাত্র তাকে একটি আধুনিক, উত্তম ও যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। আমাদের দেশে আমরা এ ধরনের একটি শিক্ষাব্যবস্থা চাই, যে ব্যবস্থা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করবে, তাদের সুনাগরিক হতে উৎসাহিত করবে, নীতি নৈতিকতা শিক্ষা দেবে এবং সর্বোপরি জীবনমুখী, বাস্তবমুখী, যুগোপযোগী, কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করবে।
আমাদের শিক্ষা জগতে বর্তমানে যে অব্যবস্থা এবং নৈরাজ্য বিরাজ করছে, করোনাকালীন দুর্যোগের সময় তা আরো ঘনীভূত হয়েছে। শিক্ষার সর্বস্তরে (প্রাইমারি, মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়) এটা দৃশ্যমান।
এ কথা ঠিক যে, স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য এ সময় অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। শিক্ষার্থীদের সংক্রমণমুক্ত রাখতে সব ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের সুরক্ষা সংশ্লিষ্ট সবার প্রাথমিক দায়িত্ব। এই প্রেক্ষাপটে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সংক্রমণ ঠেকাতে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মার্চ মাসের শেষ দিক থেকে আজ পর্যন্ত দেশের সব স্কুল, মাদরাসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে।
শিক্ষাকার্যক্রম অব্যাহত রাখতে এর মধ্যে অনলাইন ক্লাস চালু করা হয়েছে। অনলাইন ক্লাস পশ্চিমা বিশ্বে নতুন কিছু নয়। স্বাভাবিক সময়েও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কিছু কিছু কোর্স অনলাইনে পড়ানো হয়। এতে শিক্ষার্থীদের কোনো অসুবিধা হয় না। উন্নত প্রযুক্তি বিশেষ করে ইন্টারনেট সুবিধা (ওহঃবৎহবঃ ঋধপরষরঃরবং) অনলাইনে শিক্ষা প্রদানের একটি বড় পূর্বশর্ত। ইউরোপ, আমেরিকা এমনকি জাপানসহ এশিয়ার কোনো কোনো দেশে এর পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে বিধায় এসব দেশ অনলাইনে শিক্ষাদানে সফল হয়েছে। তাই বর্তমান বৈশ্বিক মাহামারীকালীন তারা অনায়াসেই অনলাইন শিক্ষাপদ্ধতি চালু করেছে এবং অনেকটা নির্বিঘেœ, সফলতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে; যেমন তারা ঘরে বসেই অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কর্ম সম্পাদন করছে যাকে বলছে (ডড়ৎশ ভৎড়স যড়সব)। এই অভিজ্ঞতাও তারা আগে থেকেই রপ্ত করেছিল। অনলাইন ক্লাসের মতো ওয়ার্ক ফ্রম হোমও (ডড়ৎশ ভৎড়স যড়সব) ইউরোপ, আমেরিকায় ব্যাপকতা লাভ করেছে। অতএব, করোনা মহামারী তাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে তেমন ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারেনি।
অন্য দিকে কোভিড-১৯ মহামারী আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে করেছে পর্যুদস্ত। আমরা অনলাইনে যে শিক্ষা চালু করেছি তা কি ত্রুটিমুক্ত শিক্ষা? আমরা কি আমাদের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের তাদের চাহিদামতো প্রযুক্তিগত সাহায্য সহযোগিতা দিতে পেরেছি? আমাদের ওহঃবৎহবঃ ঋধপরষরঃরবং এখনো দুর্বল। অনেক প্রতিষ্ঠানে, বাসা-বাড়িতে সার্বক্ষণিক ওহঃবৎহবঃ সংযোগ থাকে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হওয়ার পর আমাদের বহু শিক্ষার্থী গ্রামগঞ্জে ও মফস্বল শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। বলা চলে তারা এ সুবিধা থেকে বঞ্ছিত।
এ অবস্থায় অনলাইনে শিক্ষা প্রদান কতটা সফল হবে? আমি আবারো আমাদের সমাজকাঠামো প্রসঙ্গে ফিরে আসতে চাই। আমাদের এই শ্রেণী বিভক্ত সামাজে সব শিক্ষার্থীর শিক্ষা উপকরণ লাভের/সংগ্রহের কি সমান সুযোগ রয়েছে? সব শিক্ষার্থী কি কম্পিউটার, ল্যাপটপের সুবিধা পাচ্ছে? কেউ হয়তো তর্কের খাতিরে বলতে পারেন মোবাইল ফোন তো সহজলভ্য; অতএব ল্যাপটপ, আইফোন না হলেও মোবাইল ফোনে লেসন নেয়া যায়। তাহলে প্রশ্ন থাকে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, আইফোনে যেভাবে লেসন নেয়া যায়, মোবাইল ফোনে কি তা সম্ভব?
মোটকথা আমাদের মতো একটি শ্রেণী বিভক্ত সামাজে যেখানে অভাব, অনটন, শোষণ-বঞ্চনা মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী, সেখানে এ ধরনের শিক্ষাপদ্ধতি কিছুতেই সফল হতে পারে না। জ্ঞান আহরণের ক্ষেত্রে সব শিক্ষার্থী যদি সমাজ সুযোগ লাভ না করে, তাহলে এ ক্ষেত্রেও বৈষম্যের সৃষ্টি হবে। আমার মনে হয় আমরা বর্তমানে যে অনলাইন শিক্ষা চালু করেছি তাতে এক বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এর সুফল থেকে বঞ্ছিত।
বর্তমান অনলাইন শিক্ষা অনেকটা উন্নত দেশের অন্ধ অনুকরণ বলে প্রতীয়মান হয়। আমার কাছে মনে হয় আমরা যেন উপায়হীন। যেহেতু আর কিছু করার নাই, অতএব, অনলাইন শিক্ষাপদ্ধতি চালু করা হয়েছে। অনলাইন শিক্ষা-গালভরা কথা। কর্তাব্যক্তিরা মনে করেন এতে সবাই বাহবা দেবে। তারা বাহবা কুড়াতে ব্যস্ত। অথচ এর নামে আমাদের তরুণ সমাজকে কি সত্যি শিক্ষিত করে তুলতে পারছি? দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারছি? আমি অনলাইন শিক্ষাপদ্ধতির বিপক্ষে নই। বর্তমান উন্নত তথ্যপ্রযুক্তির যুগে আমাদেরকে অবশ্যই এই পদ্ধতির সুফল গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু তার জন্য রাষ্ট্রের তথা সরকারের যে প্রস্তুতি বা প্রণোদনার দরকার ছিল তা কি যথাযথভাবে পূরণ করা হয়েছে।
এই প্রোগ্রামকে সফল করতে হলে সরকারের যে আর্থিক, কারিগরি বা প্রয্ুিক্তগত সহযোগিতার প্রয়োজন ছিল তা কি পাওয়া গেছে? অতএব, বর্তমান অনলাইন শিক্ষা পদ্ধতি একটি গোজামিল ছাড়া আর কিছু নয় বলে মনে হয়। করোনাকালীন দুর্যোগের সময়ে কৃষি খাত, স্বাস্থ্য খাতের মতো শিক্ষা খাতের জন্যও প্রণোদনা প্যাকেজ তৈরি করা অসম্ভব ছিল না। সরকার তা উপলব্ধি করেছে বলে মনে হয় না। একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে এর পরামর্শ অনুযায়ী অনলাইন শিক্ষাপদ্ধতিকে আরো শক্তিশালী ও কার্যকর করার সময় এখনো আছে। এর জন্য খুব বেশি অর্থেরও যে প্রয়োজন হবে তাও নয়। আপৎকালীন সময়ে কিছু কিছু জরুরি পদক্ষেপ নিতে হয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এ ক্ষেত্রে তা নেয়া হয়নি। আরেকটি বিষয় এখানে উল্লেখ করতে চাই যে অনেক কোর্সে অনলাইন শিক্ষা সম্ভব নয়। যেসব কোর্সে ল্যাবরেটরি টেস্ট/পরীক্ষা অপরিহার্য সেখানে অনলাইন শিক্ষাপদ্ধতির সীমাবদ্ধতা স্বীকার করতেই হবে। তারপরও একে সফল ও অর্থবহ করতে হলে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। পরীক্ষা গ্রহণেরও বিকল্প পন্থা খুঁজতে হবে। এই যে এইচএসসি পরীক্ষা না নিয়ে অটো পাস ঘোষণা করা হলো, এর এক সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে শিক্ষার্থীদের জীবনে। সঠিক মেধা বিচার এতে হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে নানা জটিলতা সৃষ্টি হবে। এ সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এ কথা ঠিক। সংক্রমণ এড়াতে এর বিকল্প নেই। এই অজুহাতে পরীক্ষা বাতিল করা হলো। এ প্রসঙ্গে বলতে চাই যে এটি আসলে সামাজিক দূরত্ব নয়; এটি হলো শারীরিক দূরত্ব। সামাজিক দূরত্ব (ঝড়পরধষ উরংঃধহপব) ও শারীরিক দূরত্ব (চযুংরপধষ উরংঃধহপব) এক কথা নয়। সামাজিক দূরত্ব হলো দুই বর্ণের (পধংঃব) মধ্যে বা দুই মর্যাদাগোষ্ঠীর (ঝঃধঃঁং এৎড়ঁঢ়) মধ্যে যে ভেদাভেদ বা দূরত্ব। করোনা দুর্যোগের সময় যে দূরত্বের কথা বলা হচ্ছে তা হলো শারীরিক দূরত্ব- এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির দূরত্বে অবস্থান। অথচ মিডিয়াসহ বিশিষ্টজনেরা তোতা পাখির মতো এভাবে শারীরিক দূরত্বকে সামাজিক দূরত্ব বলে চালিয়ে যাচ্ছে।
যাক সে কথা, আমি মনে করি শিক্ষার্থীদের শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখেই পরীক্ষা গ্রহণ করা যেত। সে জন্য যা প্রয়োজন তা হলো সুষ্ঠু পরিকল্পনা। আমাদের দেশে অনেক দেশপ্রেমিক দক্ষ শিক্ষাবিদ আছেন যারা দীর্ঘকাল শিক্ষার জগতে বিচরণ করছেন। তাদের পরামর্শ গ্রহণ করলে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখেই একটি বিকল্প পরীক্ষাপদ্ধতি উদ্ভাবন সম্ভব হতো।
পাবলিক পরীক্ষায় করোনাকালীন অটোপাস শিক্ষাব্যবস্থার ওপর যে বিরূপ প্রভাব ফেলবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বিশেষ করে এইচএসসিতে অটোপাসের এক সূদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে নানামুখী সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। অনলাইনে যদি ক্লাস করা যায়, তাহলে অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণ করাও সম্ভব। করোনাকালীন সময়ে সশরীরে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে পরীক্ষা দেয়ার বিকল্প হিসেবে অটোপাসের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রশ্ন হলো এটাই কি একমাত্র বিকল্প ছিল? আমি মনে করি সব বিকল্পের কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করেনি। তাহলে বিকল্প ব্যবস্থার সন্ধান পাওয়া যেত।
গত এক যুগ নকলের মহামারীতে আক্রান্ত ছিল আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা। পাবলিক পরীক্ষা, ভর্তি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তারপর পরীক্ষায় নকলের মহোৎসব শিক্ষাব্যবস্থাকে এক নাজুক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেয়। আর বর্তমান করোনা মহামারী আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে করেছে পর্যুদস্ত। এর থেকে উত্তরণের পথ খুঁজতে হবে। সংশ্লিষ্ট সবার সদিচ্ছা থাকলে এ থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে পাওয়া যাবে।
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যদি অর্ধশিক্ষিত ও অদক্ষ থেকে যায় তাহলে এ জাতির যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে তা ভেবে আমি শঙ্কিত। এর দায়ভার আমরা কিছুতেই এড়াতে পারব না। এ দেশের একজন প্রবীণ শিক্ষক হিসেবে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আমার উদাত্ত আহ্বান একের পর এক ভুল পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা যেন আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনাময় সোনালি অধ্যায়- শিক্ষাজীবন নষ্ট না করি। সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা এমন একটা শিক্ষাপদ্ধতি প্রণয়ন করি যার সঠিক প্রয়োগ তথা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তরুণ শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণ নিশ্চিত করতে পারি। করোনাকালীন দুঃসময়ে আমাদের এ ব্যাপারে আরো সতর্ক থাকতে হবে। হ
লেখক : সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাবেক রাষ্ট্রদূত
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এমনিতেই নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে পৃথিবীব্যাপী করোনা মহামারী। এই মহামারী বাংলাদেশেও ছাড়িয়ে পড়েছে। মানুষের জীবনজীবিকার ওপর কোভিট-১৯ এর নেতিবাচক প্রভাব...
