আদিম প্রস্তর যুগ হতে মনুষ্য নামীয় কীটগুলো
পৌনঃপুনিক নিষ্ঠা ও গবেষণা সিক্ত ধীস্নাত ক্রম বিকাশে
সভ্যতার চরম শিখরে এসে মানবিক জয়গান উল্লাসে চিৎকার করে।
বিজ্ঞানের প্রাগময়তার সাথে সাথে তাদের হয়েছে অধোগতি
হৃদয় সূচিত হয়েছে কম্পিউটারে
প্রয়োজনে সুচারু আটঘাট মুষ্টিবদ্ধ করে, ছুড়ে দেয় অমৃত সরতা
যখনই যান্ত্রিক অভিকর্ষ দেখা দেয় :
পর্বতকে সাগর ও সাগরকে পর্বতে রূপান্তরেও কুণ্ঠা নেই,
আর বিবেক শব্দটা,
অভিধানে গুটি পোকা বংশ বৃদ্ধির প্রজন্ম রমণে একাগ্রে সুপ্ত আছে।
আদিম প্রস্তর যুগে নিয়ম শৃঙ্খলা আলোকরশ্মি ছিল না বলে
বর্বর জীবনযাপনে অভ্যস্ত
ছিল, পাথর খোদাই করে শৈল্পিক চর্চার উদগ্র বাসনা
ছিল না উল্লোল সভ্যতার শিকড় উৎপাটে
যান্ত্রিক ধৃষ্ঠতা।
