ডানপিটে ছেলেটির মন নেই পড়াতে,
সুকুমার রায় হ’বে ছন্দে ও ছড়াতে।
শিশুতোষ কাব্যের রফিকুল হক-
এর, শাণিত ছড়া যত পড়া তার শখ।
নিয়মিত পড়ত সে সুকুমার বড়ুয়া,
অবশেষে হয়েছে সে ছন্দের পড়ুয়া।
সবুজের বনে বনে দিনভর ঘুরত,
পাখিদের মত দূরে, দূরে সেও উড়ত।
আকাশের নীলিমায় ঘুড়ি দিত উড়িয়ে,
একই সাথে মনটাও দিত ঠিকই জুড়িয়ে।
পাখি আর সবুজের ছবি বসে আঁকত,
বিল ঝিল নদী তারা সবই প্রিয় লাগত।
অসহায় মানুষের হাহাকার দেখত;
ছড়ায় ছড়ায় সব মন ভরে লেখত।
সমাজের উঁচুনিচু বিভাজন বুঝত;
শব্দের চোখ দিয়ে তফাতটা খুঁজত।
লেজদোলা পাখিদের লেজ দেখে ভাবত,
ছন্দের দোলনায় মন তারও নাচত।
শব্দের ভাঁজে ভাঁজে সবকথা লিখত,
বস্তির পাশে গেলে চোখ তারি ভিজত!
একদিন সেই ছেলে পাড়ি দিল বিদেশে;
মনটাকে রেখে গেল সোনাফলা স্বদেশে।
উড়ত সে পতপত সবুজের পতাকায়,
মন তার ফিরে যায় সবুজাভ বাংলায়।
ছেলেটির নাম জানো? বলবো কি আজ?
সেই ছেলে এই হলো মালেক ইমতিয়াজ।
