এই রোগ অব্যাখ্যেয়। বুঝে গেছি যেন কৌশোরেই।
মনে হতো মেঘ কিংবা বাতাসকেও চিজেলে খোদাই
করি- ধরি সেই স্বপ্ন, যাকে শুধু স্বপ্নের ঘোরেই
সম্ভব আদল দেওয়া; খুঁদে তোলা দুরূহ, পম্পাই!
কি গ্রিক, লাতিন শেখা- নোংরা রাজকর্মচারী হওয়া!
আমি তো তোমাকে চাই- যা অধরা, যা কিনা পাথরে
কিংবা দূর নক্ষত্রের দুঃখে থাকে আর্দ্র না-পাওয়ায়;
তাকে তুলে আনতে চাই কাতরানোয় ভরা এই ঘরে।

আমাকেই ডাকতো নদী, আর্নো; তুষারের শুভ্র সুরভিরা,
সান্তামারিয়া নভেল্লা থেকে ওঠা দীর্ঘ দীর্ঘশ্বাস,
আরো কেউ, অন্য কেউ, দূর থেকে ভাসানো বাঁশিরা
অন্তহীন ডেকে যেতো- বিষাদ সাজাতো অনুপ্রাস:
এ সবই তো সত্য, প্রভূ! অন্য কোনো প্রভূ যদি থাকতো
নালিশ দিতাম আমি; কেন দিলে হৃদয় রক্তাক্ত?