শরৎ রানী
মাহমুদ নাঈম
আজ কেন ভাই! ভোর বিহানে
মুক্তা ঝরাই শিশির কণা।
নদীর তীরে কার ধারেতে
ছুটলো যে ভাই দুষ্ট মনা।
মেঘগুলো সব পেঁজা তুলোই
উড়ছে কেন! ওই যে দূরে।
হিজলতলী গায়ছে বাউল
মিষ্টি, মধুর, সুরে-সুরে।
শিউলি, ছাতিম,হাসনাহেনা,
হাসছে কেন! উঠোনজুড়ে।
কাশের দোলে মাতাল হাওয়া
সাজলো ধরা বছর ঘুরে।
শাপলা-শালুক জল রাঙালো
কে এসেছে এ স্বদেশে!
বর্ষা শেষে এই তো এলো
শরত ঋতু রানীর বেশে।
শরত
কাজী আবুল কাসেম রতন
রুপের মেলায় পাখির গানে
শরতের ঝলমলে
মেঘের খেয়া পাল টেনে যায়
নীল আকাশের তলে।
নীল আকাশের মেঘের ভেলা
করছে তারা খেলা
কাশ ফুলেরা নদীর ধারে
বইছে তাদের মেলা।
কী মনোরম নদীর তীরে
কাশ ফুলেরা দোলে
শ্যামল ছায়ায় মায়ায় ঘেরা
এই প্রকৃতির কোলে।
বিশ্ব বিজয়
তাজুল ইসলাম নাহীদ
আমার দেশের সোনার ছেলে
সারা বিশ্ব পিছন ফেলে
আনলো ছিনে জয়,
এমন বিজয় বিশ্বজুড়ে
পাবে না কেউ শত ঘুরে
বাঙালিরাই হয়।
প্রতি বছর বিজয় বেশে
আসে ফিরে বাংলাদেশে
উজ্জ্বল করে মুখ,
দেখে তাদের এই না দৃশ্য
অবাক যে হয় সারা বিশ্ব
গর্বে ভরে বুক।
ধন্য মায়ের ধন্য ছেলে
দেখো সবাই চক্ষু মেলে
শীতল হবে মন,
ইচ্ছে হলে তুমি আমি
হতে পারি এমন দামি
করো যদি পণ।
রোদ আর বৃষ্টি
শাহ্জাহান সিরাজ
এই দেখি রোদ আর
এই দেখি বিষ্টি
রোদ আর বৃষ্টির
খেলা খুব মিষ্টি!
আমি নাকি রোদ হয়ে
ঘর করি আলো
বাবা বলে বৃষ্টির
টুপটাপ ভালো।
রোদ আর বৃষ্টির
দেখি রোজ খেলা
আমি হই খুশি খুব
কেটে যায় বেলা।
শরৎ রানী
সৈয়দুল ইসলাম
শরৎ সকাল ঘাসের ডগায়
শিশির বিন্দু জল,
রোদের আলোয় হিরক যেন
করে যে জ্বলজ্বল।
পদ্ম ফোটে দীঘির জলে
জাগায় শিহরণ,
শেফালিরও ম ম গন্ধ
কেড়ে নেয় যে মন।
নীল আকাশে ভেসে বেড়ায়
সাদা মেঘের ভেলা,
তাই না দেখে নীল পরীরা
নিত্য করে খেলা।
দখিনে হাওয়ায় দুলতে থাকে
সাদা কাশের ফুল,
হঠাৎ যেন উপচে ওঠে
নদীর ভরা কূল।
নীল আকাশে তারার মেলা
মিটিমিটি জ্বলে,
শরৎ রানী সবার প্রিয়
রুপোলীলাই বলে।
