বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং শিল্পের বয়স চার দশকের উপরে। এ সময়ে দেশের আর্থিক খাতে উল্লেখযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে ইসলামী ব্যাংকিং শিল্প। বর্তমানে সব মিলিয়ে দেশের ব্যাংকিং খাতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পরিচালিত হচ্ছে শরিয়াহপদ্ধতিতে। এ কারণে গ্রাহক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসলামী ব্যাংকিং সম্পর্কে জানার আগ্রহ ব্যাপক।
ইসলামী ব্যাংকিং সম্পর্কে বেশির ভাগ মানুষের ধারণাই ইতিবাচক। তবে এ সম্পর্কে কিছু মানুষের মধ্যে এখনো একটি বদ্ধমূল ধারণা প্রচলিত আছে। আর তা হলো- ‘ইসলামী ব্যাংক ঘুরিয়ে খায়’। কী ঘুরিয়ে খায়? জানতে চাইলে তারা বলে- প্রচলিত ব্যাংক যেটিকে সুদ বলে, ইসলামী ব্যাংক সেটিকে মুনাফা বলে। বিষয়টি আসলে একই রকম। উভয়ের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই।
এ ধরনের মন্তব্য নতুন নয়। ইসলামে সুদ নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এ ধরনের মন্তব্য করে আসছে একটি পক্ষ। সুদ ও মুনাফার ব্যাপারে ইসলামের বক্তব্য সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট। ইসলামী শরিয়ায় সুদ হারাম এবং মুনাফা হালাল। ইসলামী স্কলাররা বিভিন্ন বইপুস্তক ও লেখনীর মাধ্যমে সুদ ও মুনাফার মধ্যে পার্থক্য দেখিয়েছেন।
অনেকের ধারণা, কুরআনে বর্ণিত সুদ আর বর্তমানে প্রচলিত ব্যাংকিং সুদ এক নয়। উভয়ের মধ্যে পার্থক্য আছে। তারা বলেন, ব্যাংকিং সুদ অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। বর্তমানে সুদ ছাড়া আধুনিক অর্থনীতি অচল। সুদের বিকল্প আসলে কিছু নেই। যারা শরিয়াহ ব্যাংকিংয়ের কথা বলছে, তারাও পুরোপুরি সুদমুক্ত নয়।
সুদের কুফল বর্ণনা করা বা তাদের এ ধরনের সব প্রশ্নের জবাব দেয়া আমার উদ্দেশ্য নয়; বরং এখানে আমি কিছু ব্যবহারিক দৃষ্টান্তের মাধ্যমে প্রচলিত ব্যাংকিং ও ইসলামী ব্যাংকিংয়ের কর্মকাণ্ডের মধ্যে পার্থক্য দেখানোর চেষ্টা করব। আশা করি এর মধ্য দিয়ে ইসলামী কী ঘুরিয়ে খায়? প্রশ্নের জবাব মিলবে।
ধরুন, আপনার এলাকার চেয়ারম্যান তার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে গ্রামের সব মানুষকে দাওয়াত দিলেন। গ্রামের বাসিন্দা হিন্দু-মুসলমান সবাই দাওয়াত খেতে এলো। মুসলমানদের আপ্যায়নের জন্য ইসলামী রীতি অনুযায়ী হালাল উপায়ে পশু জবাই করা হলো। হিন্দুদের জন্যও সে ধর্মের রীতি মেনে দেবতার নামে পশু বলি দেয়া হলো। আলাদাভাবে রান্না করা হলো মাংসগুলো। অবশেষে একই মজলিসে দু’টি আলাদা পাত্রে মেহমানদের মধ্যে পরিবেশন করা হলো সেগুলো। হিন্দু-মুসলমান সবাই একসাথে দাওয়াত খেয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলতে তুলতে বিদায় নিলেন চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে।
প্রশ্ন হলো- রান্না করা পশুমাংসের মধ্যে মৌলিক কোনো পার্থক্য আছে কী? আপতদৃষ্টিতে মাংস দু’টির রঙ, স্বাদ ও গন্ধে কোনো পার্থক্য পরিলক্ষিত না থাকলেও পার্থক্য শুধু প্রক্রিয়াগত ও বিশ্বাসগত। একটি পশু হালাল প্রক্রিয়ায় জবাই করার কারণে সেটি মুসলমানদের জন্য হালাল এবং অন্যটি বলি দেয়ার কারণে সেটি তাদের দৃষ্টিতে হারাম। ঠিক এখানেই ইসলামী ব্যাংকিং ও প্রচলিত ব্যাংকিংয়ের মৌলিক বিশ্বাসগত পার্থক্য লুকায়িত। দেখতে ও স্বাদে একই কিন্তু জবাইয়ের পদ্ধতিগত কারণে মুসলমানদের জন্য একটি মাংস হালাল এবং অন্যটি হারাম।
এবার দেখা যাক ইসলামী ব্যাংক ও প্রচলিত ব্যাংকের কর্মকাণ্ডের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে কি না। নাকি উভয় ব্যাংক একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে? ধরুন, একজন গ্রাহকের মোটরসাইকেল কেনার জন্য দুই লাখ টাকার অর্থায়ন প্রয়োজন। প্রচলিত ব্যাংক দুই লাখ টাকার সাথে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ হারে সুদ যোগ করে ওই গ্রাহককে দুই লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে বলবে যে, নির্দিষ্ট মেয়াদে এই টাকা পরিশোধ করতে হবে।
এবার একই গ্রাহক গেলেন ইসলামী ব্যাংকে। ব্যাংকের ম্যানেজার সাহেব বললেন, আমরা তো কাউকে নগদ টাকা দেই না। পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করি। আপনার যে পণ্যের জন্য অর্থায়ন প্রয়োজন সেটি ব্যাংক আপনার জন্য ক্রয় করে দেবে। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের চাহিদা মোতাবেক ইসলামী ব্যাংক দুই লাখ টাকা দিয়ে বাজার থেকে একটি মোটরসাইকেল কিনে গ্রাহকের কাছে দুই লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করল।
এখন প্রশ্ন হলো- এই অতিরিক্ত দুই লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে পার্থক্য কী? উপরে বর্ণিত দুই মাংসের মধ্যে পার্থক্য খুঁজে না পাওয়া ব্যক্তি এই দুই লাখ ২০ হাজারের মধ্যেও কোনো পার্থক্য খুঁজে পাবেন না। এখানে একটি সুদ, আরেকটি মুনাফা। প্রথমটি সুদ কারণ এতে পণ্যের লেনদেন হয়নি। প্রচলিত ব্যাংক গ্রাহককে সরাসরি টাকা দিয়ে দিয়েছে। বিনিময়ে সময়ের ব্যবধানে মূল টাকার ওপর সুদ হিসেবে অতিরিক্ত টাকা আরোপ করেছে।
অন্য দিকে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকের কাছে পণ্য বিক্রি করেছে। অর্থাৎ ইসলামী ব্যাংক এখানে ব্যবসার মাধ্যমে মুনাফা অর্জন করেছে, যা হালাল। ইসলামী ব্যাংকিংয়ের ভাষায় এটিকে বলে বাই মুরাবাহা বা সম্মত লাভে বিক্রি। এ পদ্ধতিতে গ্রাহকের অর্ডারকৃত পণ্য কিনে তা বেশি দামে বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করা শরিয়াহসম্মত। এখানে গ্রাহক-ব্যাংক পরস্পর সম্মত হয়ে ক্রয়-বিক্রয় করেছে। এটি জায়েজ। সূরা নিসার ২৯নং আয়াতে বলা হয়েছে- ‘পরস্পর সম্মত হয়ে ব্যবসায় করা বৈধ’।
আবার অর্থনীতির ভাষায় এখানে বাজার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। চাহিদা ও জোগান রেখা দুই লাখ ২০ হাজার টাকার বিন্দুতে ক্রস করেছে। যেখানে উভয়ের স্বার্থ রক্ষা পেয়েছে। ক্রেতা বাকিতে পণ্য পেয়েছে। বিক্রেতা ২০ হাজার টাকা লাভ করেছে। আরেকটি উদাহরণ দিই। ধরুন, অপর একজন গ্রাহক এক কোটি দামের একটি ফ্ল্যাট কিনতে লোনের জন্য প্রচলিত ব্যাংকে গেলেন। গ্রাহকের ৩০ লাখ টাকা আছে, ব্যাংক থেকে তিনি লোন হিসেবে নিলেন ৭০ লাখ টাকা। ফ্ল্যাটটি কেনার পর ভাড়া দেবেন নাকি ফেলে রাখবেন, এ ব্যাপারে ব্যাংকের কিছু আসে-যায় না। সুদ-আসল মিলে ১৫-২০ বছর মেয়াদি কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করলে ব্যাংক ফ্ল্যাটটির মালিকানা বুঝিয়ে দেবে গ্রাহককে।
গ্রাহক এবার একটি ইসলামী ধারার ব্যাংকে গেলেন। গ্রাহকের কথা শুনে ম্যানেজার সাহেব এবারো ওই একই কথা বললেন, আমরা টাকার ব্যবসায় করি না; বরং যৌথ মালিকানায় ব্যবসায় করি। আপনি ৩০ লাখ টাকা দেবেন এবং ব্যাংক দেবে ৭০ লাখ টাকা। উভয়ের যৌথ অর্থায়নে ফ্ল্যাটটি ক্রয় করা হলো। এখন ফ্ল্যাটটির মালিকানা গ্রাহকের ৩০ শতাংশ আর ব্যাংকের ৭০ শতাংশ।
ধরুন, ফ্ল্যাটটির মাসিক ভাড়া ৪০ হাজার টাকা। এই ভাড়ার টাকার মালিকানা আনুপাতিক হারে গ্রাহক পাবেন ৩০ শতাংশ অর্থাৎ ১২ হাজার টাকা, আর ব্যাংক পাবে ৭০ শতাংশ অর্থাৎ ২৮ হাজার টাকা। এর সাথে প্রতি মাসে ব্যাংকের অংশের ক্রয় বাবদ অর্থাৎ ৭০ লাখের কিছু অংশ পরিশোধ করবেন গ্রাহক। এভাবে ক্রমান্বয়ে গ্রাহকের মালিকানার অনুপাত বাড়বে এবং ব্যাংকের মালিকানা কমবে। ফলে ব্যাংকের প্রদেয় ভাড়ার পরিমাণও কমতে থাকবে। একপর্যায়ে ব্যাংকের কোনো মালিকানা থাকবে না। ফ্ল্যাটটির পুরো মালিকানাই গ্রাহকের হয়ে হবে।
ইসলামী ব্যাংকিংয়ের পরিভাষায় এই অর্থায়ন পদ্ধতিকে বলে হায়ার পারচেজ আন্ডার শিরকাতুল মিল্ক (এইচপিএসএম)। এটি হলো অংশীদারের ভিত্তিতে ব্যবসায়, যা ইসলামী অর্থনীতির প্রাণ। এখানে ইসলামী ব্যাংক ২০ বছরে আসল টাকা+বাড়ি ভাড়া বাবদ প্রায় ৫৯ লাখ বা ৬০ লাখ টাকা আয় করবে। পক্ষান্তরে, সুদী ব্যাংকও মূল টাকার সাথে সুদ যোগ করে অন্তত ৬০ লাখ টাকা ইনকাম করবে। এই দুই কমবেশি ৬০ লাখের মধ্যে পার্থক্য কী? ফলাফল তো একই। ইসলামী ব্যাংক ‘বাড়ি ভাড়া বাবদ’ শব্দটি ব্যবহার করেছে। সম্পদ খাটিয়ে ভাড়া আদায় করা বৈধ। প্রচলিত ব্যাংক ব্যবহার করেছে ‘সুদ’, যা হারাম। পার্থক্য এখানেই।
ইসলামী ব্যাংক বিভিন্ন মোড ও পদ্ধতিতে ব্যবসায় করে। ব্যাংকগুলো তাদের কর্মকাণ্ডে যেসব পদ্ধতি অনুসরণ করে তার মধ্যে রয়েছে- অর্থায়ন ও বিনিয়োগ কার্যক্রম, ক্রয়-বিক্রয়, অংশীদারি ব্যবসায়, ভাড়া বা ইজারা, এজেন্সি সেবা, সার্ভিস চার্জ প্রভৃতি। ইসলামী ব্যাংক কোনো হারাম পণ্যের ব্যবসায় বা নিষিদ্ধ অবৈধ সেবা দিতে পারে না। অর্থাৎ ইসলামী ব্যাংকিংয়ে পণ্য ও পদ্ধতি উভয়ই বৈধ হতে হয়।
সর্বশেষ আরেকটি জীবনঘনিষ্ঠ উদাহরণ দিয়ে শেষ করছি। ধরুন, এক যুবক একই গ্রামের অপর এক যুবতীকে পছন্দ করে। তাকে ভালোবাসে। তার উদ্দেশ্য হলো- ওই যুবতীর সাথে ঘর বেঁধে এক সাথে সংসার করা। এখন যুবক লোকটি মেয়েটির বাবাকে প্রস্তাব দিলো যে, পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে আপনার মেয়ের সাথে আমি সংসার বাঁধতে চাই। একই ঘরে এক সাথে থাকতে চাই। প্রশ্ন হলো-এ প্রস্তাবে মেয়েটির বাবা কি রাজি হবে? আর রাজি হলেই কি এ ধরনের কাজ বৈধ হয়ে যাবে। আদৌ হবে না। সমাজের চোখে এ ধরনের বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক অবৈধ।
অন্য দিকে যুবকটি যদি মেয়েটির বাবাকে প্রস্তাব দেয় যে, আমি আপনার মেয়েকে বিয়ে করতে চাই। বিনিময়ে আপনার মেয়েকে মোহরানা বাবদ পাঁচ লাখ টাকা দেবো। এতে মেয়েটির বাবা যদি রাজি হয়ে মোহরানা ধার্যপূর্বক রীতি অনুযায়ী দু’জনের মধ্যে বিয়ে করিয়ে দেয় তাহলে এটি বৈধ। সমাজ ও ধর্মীয় দৃষ্টিতে এটি বৈধ কাজ।
বৈধ সম্পর্কের ভিত্তিতে ঘরসংসার করাতে কোনো সমস্যা নেই। এখানে উভয় কাজের ফলাফল এক ও অভিন্ন। কিন্তু প্রক্রিয়া ভিন্ন হওয়ার কারণে একটি বৈধ এবং অপরটি চরম অবৈধ। পার্থক্য হলো একটিতে বিয়ে ও মোহরানা শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, আরেকটিতে অবৈধ সম্পর্ক। শরিয়াহর জ্ঞান না থাকলে সাধারণ জ্ঞান দিয়েও যেমন দু’টি মাংসের মধ্যে কোনো পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায় না ঠিক তেমনি দু’টি ব্যাংকের কর্মকাণ্ডের মধ্যে আপাতত পার্থক্য চোখে পড়ে না।
একটি প্রশ্ন থেকেই যায়, তা হলো- দাওয়াতের পশুগুলো ইসলামী রীতি অনুযায়ী জবাই করা হয়েছিল কি না? জবাব হলো- এ দায়িত্ব দাওয়াত ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের। এর জন্য যেমন মেহমানরা দায়ী নন, ঠিক তেমনি ইসলামী ব্যাংকের নামে কোনো ব্যাংক যদি শরিয়াহর বিধান লঙ্ঘন করে, তাহলে এর দায়ভার ওই ব্যাংক কর্তৃপক্ষের। রেগুলেটর, ব্যাংকের মালিক ও শরিয়াহ সুপারভাইজার কমিটির দায়িত্ব হলো ব্যাংক পরিচালনায় কঠোরভাবে শরিয়াহ বিধান পরিপালন নিশ্চিত করা। এর জন্য গ্রাহকদের দায়ী করা যাবে না। তবে গ্রাহকদের উচিত সচেতনভাবে ব্যাংকের কর্মকাণ্ড যাচাই-বাছাই করে সেবা নেয়া।
পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংক ছাড়াও অনেক প্রচলিত ধারার ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকিং শাখা/উইন্ডো খুলে শরিয়াহ ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে। প্রত্যেকের জন্য আলাদা শরিয়াহ বোর্ড, ইসলামী ব্যাংকিং সফটওয়্যার, হিসাব-নিকাশ, বিজনেস পলিসি রয়েছে। দেশের ইসলামী ব্যাংক ও উইংগুলো তদারকির জন্য যথাযথ রেগুলেটর রয়েছে। এতে সমস্যা থাকার কথা নয়।
ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রচলিত সব প্রোডাক্ট ও সার্ভিসের শরিয়াহ অনুযায়ী যথাযথ ব্যাখ্যা, অর্থনীতির বিশ্লেষণ, ফিকহ আল-মুয়ামালাহ ও ইসলামী আইনের অনন্য সমন্বয় রয়েছে। বিশ্বেও বেশির ভাগ হক্কানি আলেম ও ইসলামী স্কলার এ সিস্টেমে একমত। তাহলে এ কথা বলার সুযোগ নেই যে, ‘ইসলামী ব্যাংক ঘুরিয়ে খায়’; বরং ইসলামী ব্যাংক সরাসরি খায়- আর সেটি হলো ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত মুনাফা এবং সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য হালাল ইনকাম।
লেখক : ইসলামী ব্যাংকার এবং বাহরাইনভিত্তিক আওফির সার্টিফয়েড শরিয়াহ অ্যাডভাইজার অ্যান্ড অডিটর (সিএসএএ)
