এমন ছবি
মামুন সারওয়ার

পায়ের উপর পা রেখে ঠিক
বিড়ালও
চেয়ারটাতে বসেই খানিক
জিরালো।

একী এমন কাণ্ড বাপু ঘটলো
বাসাবাড়ি চারিদিকে রটলো।

শিল্পী দাদু কাণ্ডখানা দেখে
দেয়াল জুড়ে টানিয়ে রাখে
একটি ছবি এঁকে।

এমন ছবি দেখে বিড়াল
উঠলো হঠাৎ বাঁকিয়ে
কে এঁকেছে এমন ছবি
দেখবে তাকে তাকিয়ে।

কে এঁকেছে কে এঁকেছে
পায় না বিড়াল খুঁজে,
চেয়ারটাতে ঘুমিয়ে পড়ে
তাইতো দু’চোখ বুজে।

 

রামশালিকের বিয়ে
বকুল আকতার দরিয়া

সবুজ পাতায় রোদের চুমুু
রামশালিকের বিয়ে
জড়ো হলো ময়না ঘুঘু
রাঙাঠুঁটি টিয়ে।

আসলো বনের সকল পাখি
উঠলো সানাই বেজে
হেলেদুলে আসলো হরিণ
বসলো মাদুর পেতে।

একে একে আসলো সকল
বানর সেনার দল
কোথায় গরম কোরমা পোলাও
গামলা ভরা-ই জল

ভিড়ের মাঝে চুপটি করে
রামশালিকের বউ
বরটি কোথায় বরটি কোথায়
বলছে না তো কেউ

এমন সময় ঝাঁকে ঝাঁকে
বোলতা এলো উড়ে
হুল ফুটিয়ে দিলো সবার
সারা শরীর জুড়ে।

ও মাগো ও বাবাগো
হুলস্থূল এক কাণ্ড
এমন বিয়ে কেউ দেখেনি
বিয়ে বাড়িই পণ্ড।

 


আঁখি
গিয়াস হায়দার

একরাশ ফুল আর
এক ঝাঁক পাখি
দেখে দেখে মন-প্রাণ
জুড়ে দুটি আঁখি।
উড়ে উড়ে ছুটে চলে
পাখি বহুদূর
দলেবলে গান গায়
ধরে তার সুর।
গাছে গাছে বাসা বাঁধে
ফোটে তার ছানা
ধরতে দুষ্টর
করে যাই মানা।

 

ইচ্ছে করে
ফেরদৌস জামান খোকন

যেতে আমার ইচ্ছে করে
পাখির ডানা মেলে
ইচ্ছেমতো খেলে
সাগর নদী পাহাড় দেখে
স্বদেশ ছেড়ে গেলে!

দ্বন্দ্ব বিবাদ আছে যেথা
সেথা গিয়ে আমি
হবো জানি দামি
মানুষগুলো বলবে আমায়
ছেলে অনেক নামী।

বনের ভেতর যাব আমি
পশুর রইব সাথে
খাবার নিয়ে হাতে
বনের পশুর জীবন যাপন
দেখব আমি রাতে।

ইচ্ছে করে জাহাজ দিয়ে
সাগর পাড়ি দিয়ে
মাছের খাবার নিয়ে
জলের মাঝে মাছের দলে
রাখে ভালো হিয়ে।

 

রোজার চিঠি
গোলাপ মাহমুদ সৌরভ

ভাবছো কী আর তুমি মুমিন
আসছে রামাদান,
পাপ মোচনের সুযোগ পাবে
পাবে যে আসান।

রহমত পাবে নাজাত পাবে
পাবে মাগফিরাত,
রোজা রেখে নামাজ পড়ো
মিলবে আখিরাত।

রোজা রেখে কুরআন পড়ো
করো ইবাদত,
রমজান এলো বছর ঘুরে
অশেষ নিয়ামত।