সবাই সমান
সরকার জাহিদুল ইসলাম

কেউ রাজা নয় কেউ প্রজা নয়
আমরা সবাই মানুষ
সবাই মিলে নীল আকাশে
উড়াই রঙের ফানুশ।

জেলে-চাষি-কুলি-মজুর
একই মায়ের ছেলে
যাবে না তো মালা গাঁথা
একটি কুসুম ফেলে।

কেউ ছোট নয়, কেউ বড় নয়
আমরা সবাই সমান
একটি হাতে পূর্ণ তুমি?
করতে পারো প্রমাণ!

 


দোয়েল পাখি
আব্দুস সবুর

ছোট্ট ছানা দোয়েল পাখি
কিচিরমিচির ডাকে,
মায়ের সাথে উড়তে শেখে
গাছের শাখে শাখে।

একটুখানি উড়েই আবার
ঠাস করে যায় পড়ে,
মা পাখিটা আদর করে
উঠায় তাকে ধরে।

ছোট্ট ছানার ডানাতে নেই
একটু ওড়ার বল,
মা পাখি তাই খাওয়ায় তাকে
মিষ্টি পাকা ফল।

ছোট্ট ছানা দোয়েল এবার
উড়তে শিখে যায়,
মায়ের সাথে উড়ে উড়ে
সুখেরই গান গায়।

 


রূপের ডালা সাজায়
জসীম উদ্দীন মুহম্মদ

হাটে-ঘাটে বলতে মানা
শোন ওরে শোন
আষাঢ় মাস শ্রাবণ মাস
ওরা যমজ বোন।

টাপুরটুপুর সোনার নূপুর
সুরের বাঁশি বাজায়
পাতায় পাতায় কানাকানি
রূপের ডালা সাজায়।

ব্যাঙের খুশি নতুন জলে
কাটবে সাঁতার বেশ
পুঁটি মাছে লাফায় লাফায়
ধরবে খুকির কেশ।

রোদ-বৃষ্টিতে খেলা করে
এক উঠোনে বসে
গাঁয়ের বধূ নকশি কাঁথায়
জগৎটাকে চষে।।

 


তালের পিঠা
তাজুল ইসলাম নাহীদ

ভাদ্র মাসের তালের পিঠা
কী যে মজা লাগে,
মনে হলেই হৃদয়জুড়ে
সেই আনন্দ জাগে।

মায়ের হাতের তালের পিঠা
কী যে মজা হতো,
পাশে বসে ইচ্ছেমতো
খেতাম আহা! কতো।

ছিল না তো মানা কভু
যত ইচ্ছে খেতে,
খেলেই পরে মায়ের মনে
থাকত খুশি মেতে।

এই তো এলো তালের সৃজন
লাগছে খুশি মনে,
মনের সুখে খাবো পিঠা
সকলে এক সনে।

 


ধবল মেঘের ভেলা
মো: আশতাব হোসেন

গ্রামের পথে সন্ধ্যা নামে
পাখির গানে গানে,
রাত্রি গিয়ে সকাল আসে
নদীর কলতানে।

দিবস চলে বিকাল পথে
সাদা শাড়ি পরে,
তালের পিঠা খোশবু বিলায়
গ্রাম বাংলার ঘরে।

কাশের বনে চলতে থাকে
সাদা রঙ্গের খেলা,
আকাশ পাড়ায় ঘুরে বেড়ায়
ধবল মেঘের ভেলা।