মানুষের পদভারে গ্রামীণ রাস্তাগুলো দিন দিন হতে থাকে
শহরের সরু পথ
রুগ্ন শরীর নিয়ে পথও বাঁক নেয় জীবনের মতো
মানুষও নিজস্বতা হারাতে হারাতে বেছে নেয় কর্পোরেট কালচার
হাসি কান্না সুখ দুঃখ সে তো তানপুরার করুণ সুর
অন্তর আত্মাকে টেনে হিঁচড়ে বের করে মুক্তির নেশায়
ঘুড়ির লেজের সাথে বেঁধে
উড়িয়ে দেই খোলা আকাশের বারান্দায়
স্মৃতির অসমাপ্ত গল্পগুচ্ছ
বাতাসের প্রশ্রয়ে উড়িয়ে নেয় রাস্তার বাঁকে
লেখকের জবানীতে সে এক ভয়ার্ত পাণ্ডুলিপি
পথ চলতে গিয়ে
মানুষের উত্থান পতন নামক
সময় বদলের কথা আমি এখানে বলতে এসেছি
দুঃখিনী কবির কলম শত অন্যায়ে এখন আর ঝলসে ওঠে না
সমুদ্রের বক্ররেখাও আঁকতে পারে না কবির কলম
এখন আর লিখে না মিহি জোছনার উত্তাল স্রোতে সাম্পানিয়ার গান
কবি এখন অর্ডারি পণ্যের বিজ্ঞাপন আঁকতে গিয়ে এঁকে ফেলেন
ফণিমনসার বিষধর দাঁত
অঙ্কিত দাঁত ও
কামড়ে দিতে চায় মনুষ্য বিবেক
বড় পথ ছোট হবার যন্ত্রণায় ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদে
অমরাবতী রাতের নাহাল
মিসকালো অন্ধকারের শরীরে হামাগুড়ি দিয়ে মুখ লুকিয়ে রাখে ক্লান্ত মানুষ।