স্মৃতির আষ্টেপৃষ্ঠে তোমার পদচিহ্ন আস্তীর্ণ
তন্দ্রাহীন রজনী কাটে জল-উৎসবে
চাঁদের প্রভায় অস্পষ্ট তুমি হেঁটে চলেছ
তোমার অদৃশ্য অস্তিত্ব আমায় আলিঙ্গন করে
তোমার হাতের শুভ্র তসবি আজও বিদ্যমান
আলনায় ঝুলন্ত পাঞ্জাবি তোমার মতোই
অঘোরে শায়িত আলমারির ছোট্ট ড্রায়ারে
বারান্দায় কাঠের চেয়ারটা রুগ্নাবস্থায় কেমন
অনাথের মতো পড়ে আছে তোমার শূন্যতায়।
নামাজের পর রাতের আড্ডাটা এখন আর
জমে উঠে না,বানানো হয় না মায়ের হাতের
তেল মাখানো ঝালমুড়ি, তোমার শূন্যতা
অনুভব করে বাড়িটার আনাচে কানাচে।
মা এখনো মাদুর পেতে নতুন চালের ভাত নিয়ে
সদর দরজা খুলে বসে তাকিয়ে থাকে
বরাবর ওই সামনের রাস্তাটার দিকে,
তোমার বাসস্থান খানিকটা দূর হলেও
যেন শত জনমের দূরত্বের অপেক্ষাকৃত পথ।
