এবারের বাজেটে মুড়ির ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ফলে দাম কমতে পারে প্যাকেটজাত মুড়ির। উৎপাদন পর্যায়ে মুড়ির ভ্যাট অব্যাহতি দেয়ায় এটি ভোক্তা পর্যায়ে গিয়ে কমবে।
এ ছাড়াও তাজা ফল ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর। ব্যবসায়ী পর্যায়ে ফলের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাই ফলের দাম কমতে পারে।
এ দিকে আর কৃষি যন্ত্রপাতি যেমন থ্রেসার মেশিন, পাওয়ার রিপার, পাওয়ার টিলার, অপারেটেড সিডার, কম্বাইন্ড হারভেস্টর, রোটারি টিলার, উইডার (নিড়ানি) ও উইনোয়ার (ঝাড়াইকল) আমদানিতে আগাম কর অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তাই এসব পণ্যের দাম কমতে পারে।
মাইক্রেবাস : নসিমন ও লেগুনার মতো দুর্ঘটনাপ্রবণ যানবাহন ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে সিসিভেদে মাইক্রোবাস আমদানিতে শুল্ক কমানো হয়েছে। ফলে কমতে পারে মাইক্রোবাসের দাম।
হাইব্রিড গাড়ি : কম সিসির হাইব্রিড গাড়ির সম্পূরক কমানো হয়েছে। ফলে কমছে জ্বালানি বান্ধব গাড়ির।
রড : রড তৈরির প্রধান উপকরণ স্ক্র্যাপ আমদানিতে আগাম কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাছাড়া উৎপাদনকারীদের কর ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হয়েছে। এতে স্থাপনা নিমার্ণের প্রধান উপকরণ রডের দাম কিছুটা হলেও কমতে পারে।
সিমেন্ট : রডের মতো সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল ক্লিংকারের অগ্রিম আয়কর ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে সিমেন্টের দামে এর প্রভাব পড়তে পারে।
টাইলস : টাইলস কিউব আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক ৬০ শতাংশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাই টাইলসের দাম কমবে।
মোটরসাইকেল : চার স্ট্রোক বিশিষ্ট মোটরসাইকেলের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। তাছাড়া দেশে উৎপাদিত মোটরসাইকেলের কাঁচামালের শুল্ক কমানো হয়েছে। ফলে কমতে পরে মোটরসাইকেলের দাম। অবশ্য আমদানিকৃত (সিবিইউ) মোটরসাইকেল কিনতে আগের মতো অর্থ খরচ করতে হবে।
হোম অ্যাপ্লায়েন্স : দেশে হোম অ্যাপ্লায়েন্সসামগ্রী যেমন ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ইলেকট্রিক ওভেন, ব্লেন্ডার, জুসার, মিক্সার, গ্রাইন্ডার, ইলেকট্রিক কেটলি, রাইস কুকার, মাল্টি কুকার ও প্রেসার কুকার উৎপাদনে উপকরণ-যন্ত্রাংশ আমদানিতে ভ্যাট বাদ দেয়া হয়েছে। তাই আগামীতে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে।
পোল্ট্রি মুরগি : পোল্ট্রি মুরগির খাদ্য তৈরির উপকরণ ও ওষুধ আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা দেয়া হয়েছে। তাই মুরগির খাবার ও ওষুধের কমতে পারে। এর প্রভাবে আগামীতে পোল্ট্রি মুরগির দামও কমতে পারে।
খেলনাসামগ্রী : দেশে খেলনা উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে ৭ ধরনের যন্ত্রাংশ ও উপকরণে শুল্ক ছাড় দেয়া হয়েছে। তাই দেশে তৈরি খেলনার দাম কমতে পারে। আরো দাম কমতে পারে যেসব পণ্যের সেগুলো হচ্ছে- স্টেইলনেস স্টিল, ডাম্পার ট্রাক, শিল্পে ব্যবহৃত অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রপাতি, এলইডি লাইট, শিরিষ কাগজ, শঙ্খ, পেপার কাপ।









