গণ আকাক্সক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে পৌঁছে গেছে গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের কাছে মানুষের প্রত্যাশা বেড়ে চলেছে। মানুষের এই চিন্তা ও প্রত্যাশার সম্প্রসারণটিই ঘটেছে আদর্শ গণমাধ্যমের কাছ থেকে। মানুষ যখন দেখে টেলিভিশন তার জীবনকে সহজ করে দিচ্ছে, টেলিভিশন তাকে আত্মবিশ্বাসী করছে, টেলিভিশন তাকে স্বপ্নবান করছে তখনই মানুষ টেলিভিশনের প্রতি ঝুঁকতে থাকে। গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের এই আস্থা ও বিশ্বাস সৃষ্টির পেছনেই নিবিড় কর্মসাধনা রয়েছে চ্যানেল আইয়ের। এ বছর চ্যানেল আই বছরে ‘কোটি প্রাণে মিশে, আমরা এখন ২০-এ’। বিশ্বময় বাংলা ভাষাভাষীর স্বপ্ন আকাক্সক্ষা আর জীবনধারার প্রিয় সঙ্গী চ্যানেল আই পথচলার ১৯ বছর পার করে এবার পা রাখলো ২০ বছরে। শতভাগ পেশাদারিত্ব, নতুনত্ব, সৃজনশীলতা ও তারুণ্যের জয়গান গেয়ে চ্যানেল আইয়ের অভিযাত্রা। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিকাশ, খাদ্য নিরাপত্তায় শতভাগ স্বনির্ভরতা অর্জন তথা বাংলাদেশের গঠনমূলক পরিবর্তনের সরব সঙ্গী চ্যানেল আই। মানুষ যা দেখতে চায়, যা শুনতে চায়, যা উপলব্ধি করতে চায় তা নিয়েই চ্যানেল আইয়ের পথচলা। এর সঙ্গে জীবনকে এগিয়ে নেয়া, রুদ্ধ দুয়ারকে খুলে দেয়া, সত্যকে শাণিত করার পথেও থাকতে হয়েছে অবিচল। টেলিভিশন কিংবা গণমাধ্যম নিয়ে মানুষের তৃষ্ণা ও প্রত্যাশাগুলো পূরণ করে এগিয়ে চলেছে চ্যানেল আই। তথ্য প্রযুক্তির বিকাশ ও আকাশ সংস্কৃতির নতুন নতুন অগ্রযাত্রার ভেতর চ্যানেল আইয়ের পথচলা নতুন নতুন উদ্ভাবনের ভেতর দিয়ে। প্রথম দিন যে নতুনত্বের মালা গেঁথেছিল, আজো তা গেঁথে চলেছে চ্যানেল আই। ১ অক্টোবর রাত ১২.০১ মিনিটে কেক কাটার মধ্য দিয়ে চ্যানেল আইয়ের ১৯ বছর পূর্তি এবং ২০ বছরে পদার্পণের পথচলা শুরু হলো। চ্যানেল আইয়ের ২০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, এমপি। দেশের জাতীয় দৈনিকগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে পূর্ণপৃষ্ঠা রঙিন ক্রোড়পত্র। চ্যানেল আইয়ের ২০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে কলাম লিখেছেন ওপার বাংলা কলকাতার বিশিষ্ট সাহিত্যিক শঙ্খ ঘোষ এবং এপার বাংলার বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ। রাত ১২.০১ মিনিটে প্রথম প্রহরের কেক কাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, এমপি, রাশেদ খান মেনন, দিলিপ বড়–য়া, ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন, মীর নাসির, সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহীম (বীরপ্রতীক), অপু উকিল, কাজী ফিরোজ রশীদ, প্রফেসর আবদুল মান্নান, বদিউল আলম মজুমদার, উপাদক্ষ আবদুল শহীদ, জাবেদ পাটোয়ারী, শামসুজ্জামান দুদু, আবদুল ওয়াব, চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপন পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক ও বার্তাপ্রধান শাইখ সিরাজ, বিভিন্ন অঙ্গণের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শিল্পী কলাকুশলী, চ্যানেল আই পরিচালনা পর্ষদ সদস্য জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন, মুকিত মজুমদার বাবু, কনা রেজা ও পরিবারের সদস্যবৃন্দ।এরপর দিনব্যাপী চলে উন্মুক্ত মঞ্চ থেকে সঙ্গীত পরিবেশনা। সঙ্গীত পরিবেশন করেন ফেরদৌস আরা, ফকির আলমগীর, শফি মণ্ডল, আকরামুল ইসলাম, ফেরদৌস ওয়াহিদ, মো: খুরশীদ আলম, আগুন, শাহনাজ বেলী, ডলি শান্তনী এবং এলআরবি আইয়ূব বাচ্চু। চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ, ক্ষুদে গানরাজ, বাংলার গানের শিল্পীরা। নৃত্য পরিবেশন করেন চ্যানেল আই সেরা নাচিয়ের শিল্পীরা।