আফগানিস্তানের তালেবান বলেছে, গত বছর কাতারে যে যুগান্তকারী চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তা প্রায় প্রতিদিন লঙ্ঘন করছে। শান্তি চুক্তির ব্যাপারে দেয়া প্রতিশ্রুতি তালেবান রক্ষা করেনি বলে পেন্টাগনের অভিযোগের জবাবে গতকাল দোহায় এএফপিকে এ কথা বলেন তালেবান মুখপাত্র মোহাম্মাদ নাঈম।
তিনি বলেন, অপর পক্ষ চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। তারা প্রায় প্রতিদিন তা লঙ্ঘন করছে। তারা বেসামরিক লোকজন, ঘরবাড়ি ও গ্রামে বোমাবর্ষণ করছে এবং সময়ে সময়ে তাদেরকে তা জানিয়েছি। এগুলো নিছক চুক্তি লঙ্ঘন নয় বরং মানবাধিকার লঙ্ঘন। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আফগান নিরাপত্তা বাহিনীকে রক্ষার জন্য কয়েকটি প্রদেশে তালেবান যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তালেবান মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ টুইটারে আরো বলেন, তাদের বিরুদ্ধে পেন্টাগনের অভিযোগ ভিত্তিহীন। চুক্তি মেনে চলতে তালেবান পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি সাংবাদিকদের সাথে আলরপকালে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন বিশ্বাস করে, গত বছর সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী তালেবান তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করলে আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি অর্জন করা কঠিন হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র নিজ প্রতিশ্রুতিতে অটল রয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে শান্তি চুক্তির ব্যাপারে দেয়া প্রতিশ্রুতি রাখেনি তালেবান। সহিংসতা হ্রাস ও আল-কায়েদার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা ছিল তাদের প্রতিশ্রুতির অংশ। পেন্টগনের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, ‘আমরা আলোচনার মাধ্যমে এসব সমস্যা সমাধানের এখনো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু তালেবান এখনো তাদের দেয়া বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি।’
কিরবি বলেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নতুন প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র ও আফগান এ বিদ্রোহী গ্রুপের মধ্যে কাতারে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে করা শান্তি চুক্তির ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে। এ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তালেবানকে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা বন্ধের পাশাপাশি আফগানিস্তানে সহিংসতার মাত্রা একেবারে হ্রাস করতে হবে এবং কাবুলে সরকারের সাথে শান্তি আলোচনাকে এগিয়ে নিতে হবে।
চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করছে যুক্তরাষ্ট্র : তালেবান
আফগানিস্তানের তালেবান বলেছে, গত বছর কাতারে যে যুগান্তকারী চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তা প্রায় প্রতিদিন লঙ্ঘন করছে। শান্তি চুক্তির ব্যাপারে দেয়া প্রতিশ্রুতি তালেবান রক্ষা করেনি...





