প্রশান্ত মহাসাগরীয় ১০টি দ্বীপরাষ্ট্রকে বিস্তৃত আঞ্চলিক নিরাপত্তা চুক্তিতে রাজি করাতে ব্যর্থ হয়েছে চীন। ওই দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ, এই প্রস্তাবের মাধ্যমে বেইজিং তাদেরকে তাদের বৃত্তে নিয়ে যেতে পারে। ওই দেশগুলোর নেতাদের সাথে ফিজিতে সোমবার আলোচনায় বসেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। সেখানে নিরাপত্তাবিষয়ক একটি চুক্তিতে রাজি হয়নি দেশগুলো।
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থান। কিন্তু সেই সম্পর্ককে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে চীন। তারা ওই অঞ্চলে নিজেদের কর্মকাণ্ড সামনে ঠেলে দিচ্ছে। এ জন্য চীন চুক্তির যে প্রস্তাব দিয়েছে তাতে বলা হয়েছে, বেইজিং প্রশান্ত মহাসাগরীয় এসব দেশের পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেবে, সাইবার নিরাপত্তায় জড়িত হবে, রাজনৈতিক সম্পর্কের বিস্তার করবে এবং স্থল ও জলজ ভাগে প্রাকৃতিক সম্পদের স্পর্শকাতর ম্যাপিং ও তার সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে।
প্রণোদনা হিসেবে আর্থিক সহায়তা হিসেবে লাখ লাখ ডলার প্রস্তাব করছে বেইজিং। বিশেষ করে চীন-প্যাসিফিক দেশগুলোর মধ্যে একটি অবাধ বাণিজ্যচুক্তি এবং চীনের ১৪০ কোটি মানুষের বিস্তৃত বাজার সুবিধা পাওয়ার মতো লোভনীয় প্রস্তাব আছে এতে। পর্দার আড়ালে প্যাসিফিক অঞ্চলের নেতারা এই প্রস্তাব সম্পর্কে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি অন্য দেশগুলোর নেতাদের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন মাইক্রোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ডেভিড পানুয়েলো।
১০ দ্বীপরাষ্ট্রকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা চুক্তি করাতে ব্যর্থ চীন
প্রশান্ত মহাসাগরীয় ১০টি দ্বীপরাষ্ট্রকে বিস্তৃত আঞ্চলিক নিরাপত্তা চুক্তিতে রাজি করাতে ব্যর্থ হয়েছে চীন। ওই দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ, এই প্রস্তাবের মাধ্যমে বেইজিং তাদেরকে তাদের বৃত্তে নিয়ে...





