এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সুইডেনের ন্যাটো সদস্যপদ ঝুলিয়ে রেখেছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান। তবে সোমবার ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ ও সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসনের সাথে লিথুয়ানিয়ায় একটি বৈঠক শেষে দেশটিকে সদস্যপদ দিতে সম্মত হন এরদোগান। দু’টি কারণে সুইডেনকে ন্যাটোতে নিতে রাজি হয়েছেন এরদোগান। প্রথমটি হলো, যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কের কাছে নতুন ৪০টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিক্রি করবে ও পুরাতন যুদ্ধবিমান সংস্কারের জন্য যন্ত্রাংশ দেবে। এ ছাড়া আঙ্কারাকে ওয়াশিংটন ৯০০টি এয়ার টু এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৮০০টি বোমা দেবে।
আর দ্বিতীয়টি হলো, তুরস্কের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে কানাডা। রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পর, নিজেদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ২০২২ সালের মে মাসে ন্যাটোতে যোগ দেয়ার আবেদন করে সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড। আবেদনের এক বছর পর গত ৩০ মে ফিনল্যান্ডের সদস্যপদের অনুমোদন দেয় তুরস্কের পার্লামেন্ট। কিন্তু সুইডেনের বিষয়টি আটকে রাখে দেশটি। তবে ১১ জুলাই লিথুয়ানিয়ায় ন্যাটোর বার্ষিক সম্মেলন শুরুর আগে সুইডেনের সদস্যপদ নিয়ে তৎপরতা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এরদোগানকে রাজি করাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কয়েকবার তাকে ফোনও করেন।
বাইডেন এরদোগানের সাথে কথা বলার পর গণমাধ্যমকে প্রকাশ্যে জানান- যদি তুরস্ক সুইডেনের সদস্যপদের অনুমোদন দিতে সম্মত হয় তাহলে তাদের যুদ্ধবিমান দেবেন তিনি। অপর দিকে ২০১৯ সালে উত্তর সিরিয়ায় সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে ২০২০ সালে তুরস্কের ওপর অস্ত্র বিক্রির নিষেধাজ্ঞা দেয় কানাডা। তবে দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠকের পর নিষেধাজ্ঞা আংশিক তুলে নেয় অটোয়া এবং আঙ্কারার কাছে ২০২০ সালের জুনে ড্রোন অপটিকস বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ওই বছরের জুলাইয়ে নাগোরনো-কারাবাখ যুদ্ধে ব্যবহৃত ড্রোনে কানাডার তৈরি ওয়েসক্যাম অপটিকস ব্যবহার করায় আবারো নিষেধাজ্ঞা দেয় কানাডা। আগে কানাডার ড্রোন অপটিকসের ওপর অনেক বেশি নির্ভর ছিল তুরস্ক।
সুইডেনের ন্যাটোভুক্তিতে ২ কারণে এরদোগানের সম্মতি
এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সুইডেনের ন্যাটো সদস্যপদ ঝুলিয়ে রেখেছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান। তবে সোমবার ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ ও সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ...





