যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরাইলি দূতাবাসের সামনে শত শত মানুষ সমবেত হয়ে বিমানকর্মীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন। গাজায় চলমান যুদ্ধের প্রতিবাদে ওয়াশিংটনে অবস্থিত ইসরাইলি দূতাবাসের বাইরে নিজের গায়ে আগুন দেয়া মার্কিন বিমানবাহিনীর সেই সদস্য মারা যান ঘটনার রাতেই। অনেকেই আশা করেছিলেন, ২৫ বছর বয়সী অ্যারন বুশনেলের মৃত্যুর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের যুদ্ধের প্রতি অটল সমর্থনে পরিবর্তন আসবে। তেমন কিছুই হয়নি।
লিয়া নামের একজন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আমেরিকান এসেছিলেন শোক জানাতে। তিনি আনাদোলু নিউজ এজেন্সিকে বলেছেন, ‘যারা ফিলিস্তিনের সাথে তাদের সংহতি ও সমর্থন দেখিয়েছে, যারা প্রতিরোধ জানাতে চরম পদক্ষেপ নিচ্ছেন, তাদের প্রতি সংহতি ও সমর্থন দেখানোর জন্য এখানে উপস্থিত থাকা তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’ বুশনেলের মৃত্যু যুদ্ধের গতিপথ পরিবর্তন করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন কি না জানতে চাইলে, তিনি বলেন, ‘এটিই আশা করেছিলাম।’
টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সান আন্তোনিও শহরের বাসিন্দা অ্যারন বুশনেল (২৫) স্থানীয় সময় রোববার দুপুর ১টায়, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধ এবং আক্রমণে মার্কিন সমর্থনের প্রতিবাদে ইসরাইলের দূতাবাসের সামনে নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন। শহরের ফায়ার ডিপার্টমেন্ট ইসরাইলি দূতাবাসের বাইরে আগুন লাগার খবর পেয়ে জরুরি কর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে তাকে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে বিমানবাহিনীর একজন মুখপাত্র স্থানীয় সময় সোমবার সকালে জানান, রোববার রাতেই তিনি মারা গেছেন।
আত্মাহুতি দেয়া মার্কিন সেনার জন্য ব্যাপক শোক
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরাইলি দূতাবাসের সামনে শত শত মানুষ সমবেত হয়ে বিমানকর্মীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন। গাজায় চলমান যুদ্ধের প্রতিবাদে ওয়াশিংটনে অবস্থিত ইসরাইলি দূতাবাসের বাইরে নিজের...





