জার্মানির সরকার ও প্রধান বিরোধী শিবির রাজনৈতিক আশ্রয় ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে সংস্কারের লক্ষ্যে মঙ্গলবার প্রাথমিক আলোচনা চালিয়েছে। বিরোধীরা জার্মানিতে প্রবেশ আরো কঠিন করতে চায়। জোলিঙেনের ঘটনার পর থেকে জার্মানির রাজনৈতিক জগতে রাজনৈতিক আশ্রয় ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। সেই সাথে গত রোববার পূর্বের দু’টি রাজ্যে নির্বাচনে মূল গ্রোতের রাজনৈতিক দলগুলোর খারাপ ফলাফল অবৈধ অনুপ্রবেশ, আশ্রয়ের আবেদন নাকচ হওয়ার পর বিদেশীদের প্রত্যর্পণ, অপরাধ দমনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার তাগিদ আরো বেড়ে গেছে।
মঙ্গলবার জার্মানির জোট সরকারের তিন শরিক দল ও প্রধান বিরোধী ইউনিয়ন শিবিরের দুই দল প্রথমবারের মতো সে বিষয়ে আলোচনা করেছে। গত সপ্তাহে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসের সরকার প্রস্তাবিত পদক্ষেপের এক খসড়া প্রকাশ করেছিল। তার ভিত্তিতেই মঙ্গলবার প্রাথমিক আলোচনা হলো।





