যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) ৯০ দিনের শুল্কবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছেন। বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য যুদ্ধকে প্রশমিত করার লক্ষ্যে স্টকহোমে টানা দুই দিন আলোচনার পর উভয়পক্ষই একে গঠনমূলক বলে বর্ণনা করেছেন।
তবে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি ঘোষণা করা হয়নি। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, আগামী ১২ আগস্ট শেষ হতে যাওয়া শুল্কবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে, নাকি চীনের ওপর আবারো তিন অঙ্কের শুল্ক জারি করা হবে তা নির্ভর করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ওপর।
তবে ট্রাম্প শুল্কবিরতির মেয়াদ বাড়াতে অস্বীকৃতি জানাবেন এমন কোনো আশঙ্কা বাতিল করে দিয়েছেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট।
বৈঠক শেষ হওয়ার পর বেসেন্ট সাংবাদিকদের বলেন, ‘বৈঠক খুব গঠনমূলক হয়েছে। তবে আমরা এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।’
স্কটল্যান্ড সফর শেষে ওয়াশিংটনে ফিরে আসার সময় ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে সাংবাদিকদের জানান, বেসেন্ট তাকে চীনের সাথে আলোচনার বিষয়ে অবহিত করেছেন।
কয়েক মাস ধরে বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপের হুমকি দেয়ার পর ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, ইন্দোনেশিয়া এবং অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্য চুক্তি নিশ্চিত করেছেন। কিন্তু চীনের শক্তিশালী অর্থনীতি এবং বিশ্বে বিরল খনিজের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের কারণে দেশটির সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা বিশেষভাবে জটিল হয়ে উঠেছে।
গত মে মাসে উভয়পক্ষই একে অপরের ওপর তিন অঙ্কের শুল্ক আরোপের পরিক্ল্পনা থেকে সরে আসে। এটি কার্যকর হলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার মতো পরিস্থিতি হত। এই দুই দেশের মধ্যে চুক্তি না হলে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খল এবং অর্থবাজার নতুন করে অস্থিরতার মুখোমুখি হতে পারে।
বেসেন্ট সাংবাদিকদের জানান, আজ বুধবার ওয়াশিংটনে ফিরে ট্রাম্পের সাথে দেখা করবেন তিনি। সময়সীমা বৃদ্ধি করার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্ট নিজেই নেবেন।
সূত্র : রয়টার্স









