সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষায় রাফাল যুদ্ধবিমান পাঠাতে যাচ্ছে ফ্রান্স। শুক্রবার ফরাসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশসীমার নিরাপত্তা তত্বাবধান এবং এ দেশটিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে বাঁচাতে তারা এসব রাফাল যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে সংহতি প্রকাশ করে দেশটির নিরপত্তা রক্ষায় সামরিক সাহায্য দিতে যাচ্ছে ফ্রান্স। আমিরাতের আকাশসীমাকে বাইরের আক্রমণ থেকে বাঁচাতে এসব সামরিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পারলি তার টুইটার অ্যাকাউন্টে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পর ফ্রান্স হলো দ্বিতীয় রাষ্ট্র যারা সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সামরিক সহায়তা দিতে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র তার একটি ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঠাচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিরপত্তা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র এ সামরিক সাহায্য দিচ্ছে। এর আগে ইয়েমেনে ভয়াবহ সঙ্ঘাতের মধ্যেই দেশটির হাউছি যোদ্ধারা সংযুক্ত আরব আমিরাতে বেশ কয়েকবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক ব্যক্তিও মারা গেছেন।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে ফ্রান্সের কৌশলগত অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে একটি সামরিক চুক্তি আছে। এ সামরিক চুক্তির আওতায় আবুধাবিতে নৌ, বিমান ও স্থল সেনা পরিবেষ্টিত একটি সামরিক ঘাঁটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ সামরিক ঘাঁটিটি ক্যাম্প দে লা পাইক্স বা শান্তি ঘাঁটি নামে পরিচিত। ওই চুক্তির আওতায় ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পারলি বলেন, এখন আরব আমিরাতে সাতটি রাফাল যুদ্ধবিমান পাঠানো হবে। এ যুদ্ধবিমানগুলো আবুধাবির আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতে মোতায়েন করা হবে।
ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এ যুদ্ধবিমানগুলো আমিরাতের সেনাবাহিনীর সাথে দেশটির নিরাপত্তা তত্বাবধান করবে। এছাড়া এ যুদ্ধবিমানগুলোর মাধ্যমে শত্রু চিহ্নিত করা এবং বাইরের আক্রমণ প্রতিরোধ করা হবে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি









