গত বছরের ৭ অক্টোবরে শুরু হয় চলমান গাজা যুদ্ধ। বছরের শেষ দিকে এই যুদ্ধ ইসরাইলের অর্থনীতিকে বড় ধরণের ঝাঁকি দেয়। এতে দেশটি চরম সঙ্কটে পড়ে।
গাজা যুদ্ধ বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক খাতে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে পর্যটন শিল্প, বিদেশী উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার অভাবে এসব খাত বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। ফলে ২০২৩ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে দেশটির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) আগের তিন মাসের তুলনায় ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। অবশ্য এরপরও ২০২৩ সালের প্রবৃদ্ধি সামগ্রিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু ২০২২ সালে সূচকের যে অগ্রগতি দেখা গিয়েছিল, ২০২৩ সালে সেটি দেখা যায়নি। বরং তার চেয়ে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ কম ছিল। সূচকের এই নিম্নগামিতাই প্রমাণ করে গাজা যুদ্ধ তাদের অর্থনীতিকে কতটা ঝাঁকুনি দিয়েছিল।
গাজা যুদ্ধের কারণে ব্যাপক অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলতা তৈরি হয়েছে। এতে মাথাপিছু জিডিপি বছরে ০ দশমিক ১ শতাংশের চেয়েও কিছু কমেছে।
এর থেকেই বুঝা যায় ইসরাইলের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কতটা জরুরি। যদিও দেশটি প্রমাণ করেছে যে তারা কঠিন পরিস্থিতি থেকেও ফিরে আসতে পারে। কিন্তু অর্থনীতিতে সঙ্ঘাতের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব এখনো স্পষ্ট নয়। এর অর্থ হলো ইসরাইলকে পরবর্তী পরিস্থিতি ভালোভাবে পরিচালনা করার জন্য কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে।এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে যেখানে অর্থনীতি ভবিষ্যতে স্থিরভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।
সূত্র : ইসলামিক ইনফরমেশন





